bangle jokes collection

Posted by nibrita | 5:02 PM | | 0 comments »

অনেক দিন আগের কথা----
একদিন জঙ্গল থেকে এক পিপড়া জঙ্গলের নিয়ম ভেঙ্গে, মনের দুখে জঙ্গল থেকে চলে আসবে বলে সিদ্ধান্ত নিল। আসার সময় পথের মধ্যে জঙ্গলের রাজা সংহের সংগে দেখা। সিংহ তাকে জিজ্ঞেস করল কিরে কোথায় যাচ্ছিস্। পিপড়া উত্তর দিল আমি জঙ্গল থেকে চলে যাচ্ছি। সিংহ বলল কেন কি হয়েছে। পিপড়া বলল না রাজা মশাই আপনাকে বলা যাবে না, প্রেসটিজের ব্যপার। সিংহ বলল না তোকে বলতেই হবে। আমি জঙ্গলের রাজা আমার জানতেই হবে তুই কি করণে জঙ্গল থেকে চলে যাচ্ছিস। পিপড়া বলল রাজা মশাই দেখুনই প্রেসটিজ পানচার হয়ে যাবে। রাজা বলল এত কিছু বুঝি না তোকে বলতেই হবে তু্ই কি দুঃখে চলে যাচ্ছিস। এত করেই যখন বলছেন তাহলে হুনেন- কোন হালার পুতে যেন হাতিরে চিপায় ফালয়া কাম করছে এখন দোষ টা পড়ছে আমার !!!!
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>একদিন এক পিপড়া মনের সুখে জঙ্গলে ঘুরিতেছে। পথিমধ্যে সে পানিতে পড়িল পিপড়া খাইলে সাতার শিখা যায়, বাট সেই বেকুব নিজেই সাতার জানিত না। ডুবে, ভাসে, এই মরে সেই মরে। ভয়াবহ সাসপেন্স, কী হয়... পিপিলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে, কিন্তু ভন্ড বাংলা প্রবাদকে মিথ্যা প্রমাণ করিয়া সেই হতভাগার কোন পাখাও গজাইলো না। পিপড়া কি তবে ডুবিয়া মরিবে? এই দৃশ্য দেখিল এক পক্ষি, সে বলিল হায় হায়। উড়াল দিয়া সেই পাখি একখানা পাতা নিয়া আসিল সেই পাতার ভেলায় চড়িয়া পিপড়া জীবন বাচাইল। অনেকদিন কাটিয়া গেল। আবার আসিল বর্ষাকাল। পিপড়া বাহিনী বাহির হইল খাবারের সন্ধানে, গিয়া দেখে বুড়া হইয়া সেই পাখি মরিয়া রহিয়াছে, তারা খুশি হইয়া উঠিল। পিপিলিকার কলোনীর বছরের খাবার জোগাড় হইয়া গিয়াছে। মরা পাখিরে পিপড়ায় খাইল।
[
বিঃ দ্রঃ রানী ক্লিওপেট্রা তাঁর ঠোঁটে লিপস্টিক ব্যবহার করতেন যা তৈরি হতো মেরুন রংয়ের বিটল পোকা থেকে, এর ফলে ঠোঁটে একটি গাঢ় লাল আভা ফুটে উঠতো, এছাড়া বেজ দেওয়া জন্য ব্যবহৃত হতো পিপড়া। ]

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

বনে বাঘের বিয়ে হচ্ছে। সেখানে এসেছে শিয়াল, হাতি, সিংহ, ভাল্লুক আরো অনেকে। সবাই অনেক নাচ গান করছে। কিন্তু বিড়াল কিছুটা ব্যতিক্রম। সে একটু নাচে আর একটু কাঁদে। তা সিংহ মামার নজরে গেলো। বিড়ালের কাছে এসে বিড়ালকে বলছে........
সিংহ: কিরে বিলাই, তুই একবার নাচোসতো আর একবার কান্দোস, ঘটনা কি?
বিড়াল: কি আর কমু মামু, নাচি বাঘ মামুর বর্তমান অবস্থা দেইখা আর কান্দি বাঘ মামুর ভবিষ্যত চিন্তা কইরা।
সিংহ: ভবিষ্যত চিন্তা কইরা মানে?
বিড়াল: মামু, আমিও এক সময় বাঘ মামুর লাহান বাঘ আছিলাম, বিবাহ কইরা বিলাই- পরিনত হইছি।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>বসে আছে একটি কাক টেলিফোনের তারে,
কত কথা ভেসে যায় ইথারে ইথারে
ওপাস থেকে প্রেমিকা তার প্রেমিককে বলে
লাভ ইউ
এপাস থেকে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে বলে
মিস ইউ
কাক তার বাল ডাও বোঝে না
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
হাতি বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে বিভিন্ন দেশ হাতি বিষয়ে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রচনা লিখে পাঠিয়েছে
জার্মানী পাঠিয়েছে : হাতি পালন বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ভূমিকা
ইংল্যান্ড : হাতি এবং উপনিবেশ
আমেরিকা : হাতি এবং পুঁজিবাদ
ফ্রান্স : হাতি এবং প্রেম
সোভিয়েত ইউনিয়ন : রাশিয়া - হাতির মাতৃভূমি
বুলগেরিয়া : সোভিয়েত হাতি - বুলগেরিয় হাতির শ্রেষ্ঠ বন্ধু

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>বিশাল বিচারকক্ষে শয়ে শয়ে মানুষ বসা।জজ সাহেব গুরু গম্ভীর। দুপক্ষের উকিল তলোয়ার শান দিচ্ছেন। গলা খাকরী দিয়ে শুরু করলেন জাজ। বাদীপক্ষের কে সাক্ষ্য দেবার জন্য কাঠগড়ায় তোলা হোকবাদীপক্ষের উকিল জেরা করছেন , "এটা কি সত্য যে আপনি ১৯৮৮ সালেই চুমু বিষয়ক প্যাটেন্টের জন্য আবেদন করেছেন? "বাদী: অবশ্যই এটা আমার নিজস্ব মস্তিস্ক প্রসূত। এই ব্যাপারে সব নথি পত্র প্যাটেন্ট অফিসে পাবেন।উকিল: কিন্তু চুমুর মতো সার্বজনীন বিষয়কে আপনি কিভাবে প্যাটেন্টের মধ্যে আনলেন?বাদী: দেখুন চুমু সবাই খেতে পারে, যেমন মা সন্তান কে চুমু খেলো। এসব কামবর্জিত চুমু আমি ওপেনসোর্সের কাছে ছেড়ে দিয়েছি আমার প্যাটেন্ট ফাইলে উল্লেখ আছে পার্কে, চত্বরে, পাচ তারকা হোটেলে আর কিছু বিশেষ উল্লেখ যোগ্য জায়গাতে সীমাবদ্ধ --শুধু তাই না -- ধরুন কেউ হাতে চুমু খেলো --সেটা কিন্তু আমার কপিরাইট লংঘন হবে না শুধু বিশেষ অবস্থায় জড়াজড়ি করে ঠোটে চুমু আমাকে রয়ালিটি না দিয়ে করা কপিরাইট অনুচ্ছেদ ৫৫ ধারা এর সুস্পষ্ট লংঘন বাদী পক্ষের উকিল : মাননীয় আদালত আমার আর কোন প্রশ্ন নেই এবার আসামী পক্ষের উকিল জেরা করছেন --উকিল : আপনার চুমুর লেআউট প্যাটার্নে উল্লেখ আছে যে পিঠে দুহাত জড়িয়ে রাখতে হবে, যেখানে হাতের দশ আঙ্গুল পিঠে থাকতে হবে। এই ক্ষেত্রে আমার মক্কেলের পদ্ধতিতে আঙ্গুল মুঠো বদ্ধ করা ছিলো
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>এই তরুনের বিপক্ষে আপনার মূল অভিযোগ টি কী আসলে?


বাদী: দেখুন উনি চুমু খান নিজের বাড়ীতে সেটা আমার কোন সমস্যা নাই।

আমার সমস্যা হলো, উনি তরুণদের কাছে আমার প্যাটেন্ট করা চুমু ফাকি দেবার পদ্ধতি ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ৯৯% মিল থাকা সত্ত্বেও মুঠোবদ্ধ এই ধরনের হ্যাক করা পদ্ধতি বের করেছেন। আর্থিক ভাবে,মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি আমি পাইরেটেড চুমুর কারণে

উকিল: কিন্তু আপনার প্যাটেন্টে শুধু ঠোটে ঠোট ছোয়ানোর ব্যবস্থার কথা বলা আছে। আমার ক্লায়েন্টের পদ্ধতিতে জিভের সাহায্য একটি বিশেষ পদ্ধতিতে চুমু কথা বলা আছে -- যেখানে আপনার আবিষ্কৃত(?!) পদ্ধতির সাথে টি অমিল পাওয়া যায়। তাছাড়া এই পদ্ধতি আপনারটা তুলনায় বেশ কার্যকর বটে। কারন আপনার চুমু খাওয়ার পদ্ধতি জিভের তেমন কোন ভূমিকাই নেই

বাদী: দেখুন এই জাতীয় চালাকি আমার জানা আছে। আপনি নিশ্চয়ই জানেন কোন ধরনের মানুষ, যে জিভ দিয়ে আমরা স্বাদ নেই, সেই পবিত্র জিভকে চুমু খাবার কাজে ব্যবহার করেন! এদের মৌলিক কোন আবিস্কার নেই -- এই পদ্ধতিটিও ফ্রেন্চ কিস(^) নাম পরিচিত।
আমার পদ্ধতির জন্ম হয়েছে চুমু খাওয়াকে "বাংলা কিস" হিসাবে অনুমতি(^^) দেবার জন্য আমার জীবদ্দশায় বাংলার মাটিতে ফ্রেন্চ কিস প্রচলন মেনে নিবো না।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
এবার আসামীকে কাঠগড়ায় তোলা হলো

বাদী পক্ষের উকিল: আপনার এই চুমু পদ্ধতিতে আপনি আমার মক্কেলের আর্থিক ক্ষতি সাধন করেছেন। আপনার উদ্ভাবিত পদ্ধতিটি বিনামূল্যে ছেড়ে দেবার কারন কি ? এতে আরো বিভিন্ন পদ্ধতি চুমু খাবার প্রণালী আছে -- আপনি কেন অলাভজনক ভাবে এটা প্রচলিত করলেন?

আসামী: দেখুন -- আমি চাই চুমু হোক উন্মুক্ত মানুষ কাউকে রয়ালিটি দিয়ে চুমু খাবে এটা কোন মানুষের পক্ষে মেনে নেয়া কষ্টকর। আমার পদ্ধতির সমর্থনকারীদের দেখলেই বুঝবেন মানুষ কি স্বত্বস্ফূর্ত ভাবে আমার পদ্ধতি সমর্থন করে

আদলতে হৈ হৈ করে উঠলো বিশাল জনতা।
জাজ সাহেব বললেন "অর্ডার! অর্ডার!"

জাজ: আপনি বাদীর পদ্ধতিটি আপনার পদ্ধতির ম্যানুয়াল থেকে বাদ দিন।তাহলে আমরা একটা রফায় পৌছাতে পারি-- বাদী আর্থিক ক্ষতির ব্যাপারে সমঝোতা করতে রাজি আছেন

আসামী : দেখুন এই জ্ঞানপাপীদের সাথে কোন প্রকার সমঝোতাতে রাজী নই আমি।
চুমুর মতো স্বর্গীয় ব্যাপার কে নিয়ে এর ব্যবসা করতে বাধছে না।
এই লোক ২০০৪ সালে মানব শরীরে একটা প্রত্যঙ্গ প্যাটেন্ট করতে চাইছিলেন যেটা বিশেষ দৈর্ঘ্যে হলে তাকে রয়ালিটি দিতে হবে কারণ সেটা তার ঈশ্বর প্রদত্ত্ব প্যাটেন্ট!
এই লোক নিজে পাইরেটেড নীল ট্যাবলেট সেবন করে অথচ অন্যের চুমুর রয়ালিটি দাবী করতে তাদের বাধে না

এই পর্যায়ে জনতা হুল্লোড় করে উঠালো, হেসে কেদে একেকজনের অবস্থা কাহিল -- জাজ বললেন আজকের মতও অধিবেশন এখানেই সমাপ্ত।
"
অর্ডার !অর্ডার!!"

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এক লোক ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা আসলেন বাসে করে সাথে ছিলো একজন শাড়ী পড়া মহিলা যাত্রী। মহাখালী বাসষ্টেন্ডে নামার আগে মহিলা বাসেই দাড়ালেন যথারিতী নামার জন্য প্রস্তুতী নিচ্ছিলেন।
লোকটা লক্ষ্য করলেন দীর্ঘ ক্ষন সিটে বসে থাকতে থাকতে মহিলার সিল্ক শাড়ী পিছন দিক থেকে পাছার ভাজে ঢুকে আছে যা দেখতে বিশ্রী লাগছিলো কেননা পাচার ভাজটুকু পুরাপুড়ি বুজা জাচ্ছিল।
লোকটা চিন্তা করলো যে মহিলাটাকে বলবো যে ঠিক করার জন্য আবার সে যদি কিছু মনে করে -
এইভেবে - আস্তে আস্তে হাল্কা চিমটি দিয়ে পাচা থেকে শাড়ীর গুঞ্জে থাকা খুলে ফেল্লো।
সাথে সাথে মহিলা -
অসভ্য ইতর বদমায়েস, মেয়ে দেখলে হুশ থেকে না বাড়িতে কি মা বোন নাই ... ইত্যাদি দুরুদ পড়তে লাগলো।
তখন লোকটা বল্লো- ভালোর জন্য করছিলাম তো ঠিক আছে -
যেমন ছিলো তেমন করে দেই -
এই বলে লোকটা চার আংগুল দিয়ে আবার মহিলার পাছে শাড়ীটা গুজে দিলো

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

একটি স্কুলে ছোট ছেলেমেয়েদের কাছে জানতে চাওয়া হলো ভবিষ্যতে কে কোন যানবাহন কিনতে চায়। কেউ বললো গাড়ি, কেউ বললো সাইকেল, কেউ বললো হোন্ডা, শুধু একজন বললো যে সে নাকি রকেট কিনতে চায়। শিক্ষক জানতে চাইলেন, "তুমি রকেট কিনতে চাও কেন?"
ছাত্র: তাহলে আমাকে কখনোই ট্রাফিক জ্যামে পরতে হবে না।
জজ: চুরি একটি খারাপ পেশা। তুমি পেশায় কেন এলে?
চোর: আপনাদের কথা ভেবে।
জজ: আমাদের কথা ভেবে মানে?
চোর: মানে সমাজে কোন চোর ডাকাত না থাকলে কোন অপরাধ থাকতো না ফলে কোন জজও থাকতো না এবং আপনার মত সকল জজরা গরীব হয়ে যেতেন

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

পশু ডাক্তারের চেম্বারের ওয়েটিং রুম! অপেক্ষা করছে তিন কুকুর! একটা দেশি, আরেকটা সরাইলের আর আরেকটা এলসেশিয়ান!
তো এলসেশিয়ানটা দেশি কুকুরকে জিগায় " মিয়া, ডাক্তারের কাছে আইসো ক্যা? ঘটনা কি?"
দেশি কয় "আমি আইসি সবুজ ইন্জেকশনের লাইগ্গা। ডাক্তারে একখান দিবো আর আমিও সাথে সাথে অক্কা পামু..."
তখন দুই কুকুরে জিগায় "কি আকাম করছো যে মৃত্যুদন্ড হইলো? "
দেশি কুকুর কয় "আর কইয়ে না, মানুষ খারাপ। কুন বিচার নাই। বাসার সামনে দিয়া ইসকুলে যাইতে ছিলো এক পোলা। আমি দিলাম একখান ধাওয়া। সে দিলো দৌড়। পড়লো গিয়া বাসের তলে। আর মানুষজন আমারে দোষ দিয়া ফাসাইয়া দিলো!
তা... তুমরা আইসো ক্যা?"
সরাইলের কুকুর বলে " আমিও মরতে আসছি। সবুজ ইন্জেকশন
আমি আবার দেশির মত না। পোলাপাইন খুবই পছন্দ করতাম। পাশের বাসার ছোট পোলাটা বেড়া টপকাইয়া আমগো এই পাড়ে আসছিলো! আমি ধইরা দেলাম চাবান! হেভি মজা!
তয় বুঝি নাই মজার ফল হইবো সবুজ ইন্জেকশন
আপনার কেস কি, এলসেশিয়ান ভাই?"
এলসেশিয়ান বলে " আমার ঘটনা একদম আলাদা! বেডরুমে সামনে বসা ছিলাম। মালকিন গেছিলো গোছল কর্তে। টাওয়েল প্যাচাইয়া বাতরুম থেকে বাইর হইছে। দেখে উত্তেজনার বশে ধরে.... রেপ করে ফেলছি!"
বাকী দুই কুকুর মাথা নাইড়া নাইড়া কয় "কস কি? মালকিনরেই ধর্ষন? এতো বড় বেঈমানী? সবুজ ইন্জেকশন তোমার জন্য ঠিকই আছে!"
এলসেশিয়ান কয় ' কিসের সবুজ ইন্জেকশন? আমার তো অপেরশন হবে। বিশেষ অংগের একটা রগ কাটবে! ইংরেজিতে যারে কয় ভ্যাসেক্টমি!!"

0 comments