bangla jokes collection -2

Posted by nibrita | 5:12 PM | | 0 comments »

১ম বন্ধু: কি রে হন্তদন্ত হয়ে কোথায় চললি?
২য় বন্ধু: টয়লেটে যাই একটু ডাউনলোড করে আসি।
১ম বন্ধু : ওহ তাহলে আমি চলে যাই ; তোর তো আবার ডায়াল আপ....
২য় বন্ধু : আরে না একটু ওয়েট কর , এখন তো পিক আওয়ার. . . স্পিড ভালো পাওয়া যাবে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

সর্দার : কাল রাতে ঘন্টা ধরে একটা ইংলিশ সিডি দেখলাম,কিন্তু কোন ছবি বা শব্দ শুনতে পেলাম না।
বন্ধু : সিনেমার নাম কি ছিল?
সর্দার : Insert CD....
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

প্রশ্ন : মোবাইল ফোন আর বিয়ে ... দুটির মধ্য কি সাদৃশ্য পাওয়া যায় ?
উত্তর : সারাক্ষনই মনে হয়, আর কিছুদিন অপেক্ষা করলে এরচেয়েও ভাল মডেল পাওয়া যেত....
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এক শিক্ষক গেছে এক নাপিতের কাছে চুল কাটার পর পয়সা দিতে গেলে নাপিত বলল "চুল কাটা আমার কাছে সমাজসেবার মত,তাই আমি আপনার কাছে পয়সা নেব না।" এই শুনে ফুলওয়ালা খুশি হয়ে চলে গেল। পরের দিন নাপিত এসে দেখে দোকানের সামনে একগুচ্ছ ফুল।
পরের দিন এক ডাক্তার এসে চুল কাটাল। নাপিত আবারও পয়সা নিল না। সকালে নাপিত এসে দেখে ডাক্তার ভালোবেসে দোকানের সামনে একগুচ্ছ ফুল রেখে গেছে।
পরদিন এল এক সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। চুল কেটে সেও খুশিমনে ফিরে গেল। আর তার পরের দিন....???
নাপিত এসে দেখল.......
দোকানের সামনে অন্ততঃ ১০০ জন লোক। আর প্রত্যেকের হাতে একটি করে ফরওয়ার্ডেড মেইল এর প্রিন্ট-আউট ! !
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

১ম বন্ধু : জানিস, সামনের ১৫ তারিখে নাকি চাঁদে রকেট পাঠানো হবে।
২য় বন্ধ : যাহ, তুই মিথ্যা কথা বলছিস।
১ম বন্ধু : কেন?
২য় বন্ধু : সামনের ১৫ তারিখ তো আমাবস্যা।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

চাচা : দেখ বাবা জীবনটাকে একটু ডিফ্র্যাগমেন্ট কর নইলে ব্যাড সেক্টর পড়তে কতন ?
ভাতিজা : আরে রাখেন চাচা আপনে হইলেন ডস মোডের পোগ্রাম আপনি এক্সপি -সেভেন এর কি বুজবেন?
চাচ : কিন্তু পাইরেটেড ভার্সনে আর কয়দিন ? যখন স্ক্যানডিস্ক দিবা তখন তুমিই বুজবা।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

মা : লেখস্বরে
ছেলে : কোন ফন্টে লিখব মা? সুতন্বি বোল্ড দেই?
মা : খবরদার ফাজলামো করবে না যা ডিফল্ট আছে সেটাই কর

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

চায়ের দোকানে আড্ডা হচ্ছে। এক লোক বললেন, ঘটনা শুনেছেন। গত রাতে আমাদের এলাকার মজনু সাহেব বাড়িতে ফিরে দেখেন, স্ত্রী তার এক বন্ধুর সঙ্গে শুয়ে আছেন। তিনি রাগ দমাতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে রিভলবার বের করে গুলি করে দুজনকেই মেরে নিজেও আত্মহত্যা করলেন।
পাশে বসে থাকা অপরজন বললেন, এটা তো তেমন কিছুই নয়, ঘটনা আরো সাংঘাতিক হতে পারত।
প্রথম লোক বললেন, কি বলেন? এক সাথে ট্রিপল ট্রাজেডি, আর আপনি বলছেন কিছুই না, আরো সাংঘাতিক হতে পারত? তো কি সাংঘাতিক হতে পারত?
দ্বিতীয় জন : গতকাল যদি সোমবার না হয়ে বৃহস্পতিবার হতো তাহলে গুলিটা আমাকে খেয়েই মরতে হতো।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এক তোতলা লোক পাখীর দোকানে গিয়ে বলছেন, ভা-ভা-, --টা কী পা-পা-খী?
দোকানী বলল, তোতা পাখী।
তোতলা লোকটি বলল, পা-পা-খী-টা- দা-দা- --?
- আপনি নিলে এক দাম এক হাজার টাকা?
- -- টা-টা-কা দা-ম। -- -বে না?
- না কম হবে না।
- -চ্ছা ভা-ভা-, - হা-হা-জা- টা-কা-য় দি-, কি-ন্তু পা-পা-খী-টা --থা --বে তো?
- আপনার চাইতে ভাল কথা বলবে, নিয়ে যান।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

ভদ্রলোক মাছ কিনতে গেছেন। বড় একটা মাছ দেখে বললেন, মাছ কত করে কেজি?
- একশত বিশ টাকা।
- পেট এত মোটা কেন? পেটে ডিম নেই তো?
- না স্যার, একটা ডিমও নেই। আমার মাছ না?
ভদ্রলোক মাছ কাটার জন্য বললেন। কিন্তু কাটার পরেই পেট থেকে ডিম বের হলো। মাছওয়ালা একটুও ভিমড়ি না খেয়ে মাছটা হাতে নিয়ে কান্না কান্না ভঙ্গিতে বলল, ছি! ছি! তুই কি করলি? আমার মান ইজ্জত সব ডুবালি? আমি জানি তুই সতি সাধ্বি। আর তুই কিনা... ছি! ছি!...
তারপর ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে বলল, অবুঝ মাছ স্যার... মা করা যায় না?
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এক লোক কলার দোকানে গিয়ে দোকানিকে বলছেন, এই যে ভাই, কলা কত করে?
- একটা কলা এক টাকা।
- ষাট পয়সায় দিবেন?
দোকানী রেগে গিয়ে বললেন, ষাট পয়সায় খোসা দিব।
- তাহলে চল্লিশ পয়সায় কলা পাবো, জলদি দেন।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

পলাশী বাজারে বাজার করছে এক মেয়ে, দোকানীর কাছে গিয়ে বললো ভাই বেগুন কত করে?
দোকানী বললো এই তো ৪০ টাকা কেজি।
হাফ কেজি দেন ভাই।
দোকানী মেপে উঠাচ্ছে, এই সময় মেয়েটা বললো, কি অবস্থা, আপনার বেগুনগুলাতো ছোটো ছোটো, এর চেয়ে বড় বেগুন নাই।
দোকানী বললো, আপা মাঝে মাঝে তো রান্না করে খাওয়ার জন্য বেগুন কিনবেন, না কি?
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এক লোক তার পোষা কবুতরগুলো হাটে তুলেছেন। ক্রেতাকে বলছেন_
বিক্রেতা : এই কবুতরগুলো নেন ভাই, খুবই প্রভুভক্ত।
ক্রেতা : তাই নাকি? তা কেমন করে বুঝলেন খুব প্রভুভক্ত?
বিক্রেতা : আমি যতবারই এগুলো বিক্রি করেছি, ততবারই আমার বাড়িতে আবার ফিরে এসেছে!
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

ক্রেতা : এগুলো কার ডিম?
বিক্রেতা : আমার ডিম |
ক্রেতা : আমি মনে করেছিলাম মুরগির ডিম |
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

ক্রেতা : তাড়াতাড়ি একটা পলিথিন ব্যাগ দিন তো, এক্ষুনি আমাকে ট্রেন ধরতে হবে।
বিক্রেতা : মাফ করবেন, ট্রেন ধরার মতো এত বড় পলিথিন ব্যাগ আমার কাছে নেই

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এক ছেলে এবং তার নতুন বান্ধবী এক সন্ধ্যায় শহর থেকে একটু দূরে গাড়ী নিয়ে বেড়াতে বেড় হলো। গাড়ী কিছু দূর যাওয়ার পর একটা নির্জন জায়গা দেখে মেয়েটি চিৎকার দিয়ে গাড়ী থামাতে বলল। ছেলেটি গাড়ী থামিয়ে মেয়েটির দিকে তাকাল। মেয়েটি বলল-"আসলে তোমাকে বলা হয়নি যে আমি একজন কল গার্ল এবং আমার রেট ২০০০ টাকা।" ছেলেটি অবাক না হয়ে তার দিকে তাকাল এবং তার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে দুজন মিলন আনন্দে কিছুক্ষণ নগ্ন দেহে আদিম খেলায় মত্ত হলো। দৈহিক প্রশান্তির পর বান্ধবীর পেমেন্ট দিয়ে কিছুটা ক্লান্তি নিয়ে ছেলেটা একটা সিগারেট ধরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে কুন্ডলী পাকাতে লাগল। তার নির্লিপ্ততা দেখে বান্ধবী ছেলেটি কে বলল-"আমরা বসে আছি কেন? চলো ফিরে যাই।" ছেলেটি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল-" তোমাকে আগে বলা হয়নি আমি একজন টেক্সী ড্রাইভার, এখান থেকে শহরে ফেরার ভাড়া হচ্ছে ২৫০০টাকা।"
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এক ডেপো ছোকরা একজন কন্যার পিতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন স্যার প্রেম জিনিসটা কেমন ?
কন্যার পিতাঃ প্রেম হলো স্বর্গীয় জিনিস, এর স্বাদ যে জীবনে পায়নি তাকে ঘৃনা করি।
ছোকরাঃ আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

ডন ঘরে ঢুকতেই দেখলো তার স্ত্রী জিমির সাথে শুয়ে আছে | সে জিমিকে বললো, বাস্টার্ড সাহস থাকে তো আয় দুটো পিস্তল নিয়ে ডুয়েল লড়ি | যে জিতবে লিন্ডা তার হবে | বলে জিমিকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল | পাশের ঘরে ডুয়েল যাবার সময় জিমি বললো, ডন কেন মিছিমিছি আমাদের মাঝে একজন মরবো, তারচেয়ে বরং দুজনেই মরার ভান করে শুয়ে থাকি, লিন্ডা যাকে নিয়ে কাদঁবে, লিন্ডা তার হবে | বলে দুজনে মটকা মেরে শুয়ে পরল এবং দুটি গুলির আওয়াজ করল | ডনের স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখল দুজনেই মরে পড়ে আছে | সে তখন খাটের তলা থেকে তার আরেক প্রেমিক মাইকেলকে ডেকে বললো মাইকেল চলো এসো, এরা দুজনেই মরেছে, আর কোনো বাঁধা নেই |
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

আমেরিকার এক প্রেমিক তার প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ করলো। সময় মত মধ্যরাত্রিতে সে মই বেয়ে প্রেমিকার জানালা পর্যন্ত উঠলো। জানালার কাঁচে টোকা দিল প্রেমিক।
মেয়েটি ভয়ে ভয়ে জানালা খুললো। ছেলেটি জিজ্ঞেস করল, "তুমি তৈরী?" মেয়েটি বলল, হুশশশ! আমার ভয় করছে, বাবা যদি আমাদের ধরে ফেলেন।
ছেলেটি নির্বিকার ভাবে বলল, তাতে কি? তিনিতো নিচে আমার মই ধরে দাঁড়িয়ে আছেন।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

প্রেমিকাঃ তুমি আমার জন্য তাজা ফুল না এনে প্লাস্টিকের ফুল কেন এনেছ???
প্রেমিকঃতাজা ফুল বেশি সময় তাজা থাকে না | তোমার জন্য নিচে অপেহ্মা করতে করতেই ওই ফুল শুকিয়ে যায় |
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এক লোকের গরু হারিয়ে গেছে- কোথাও সে খুজেঁ পাচ্ছেনা,
খুজঁতে খুজঁতে ক্লান্ত হয়ে পার্কের এক কোনায় এসে বিশ্রাম করছে।
পার্কের অপর এক কোণে বসে 'কপত কপতি আলাপ আলোচনায় বিভোর,
কপত কপতিকে বলছে - আমি তোমার চোখে চোখ রাখলে পুরো পৃথিবীটাকেই দেখি।
এমন সময় পাশে বসে থাকা গরু হারানো লোকটি উঠে এসে বলে - আমি আমার গরুটা খুঁজে পাচ্ছিনা, ভাই দয়া করে ওনার চোখে চোখ রেখে খুঁজে দেখে বলুন তো আমার গরুটা কোথায় আছে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

নরক সত্যিই আছে
শোভাবুঝলি সোমা,আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি অয়নকে বিয়ে করব না।
সোমাসে-কি-রে,পাঁচ বছর ধরে প্রেম করলি,এখন বিয়ে করবি না কেন?
শোভাজানিস,অয়ন একেবারে নাস্তিক।
সোমা নাস্তিক তাতে তোর কি,তুই তো আর নাস্তিক নোস।
শোভা নরক আছে বলে বিশ্বাস করে না।ভয়ানক ব্যাপার নয়?
সোমাঘাবড়াচ্ছিস কেন,বিয়েটা হতে দে।কয়েকদিনের মধ্যেই বাছাধন বুঝে যাবেযে,নরক সত্যিই আছে
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

১টি ছেলে ১টি মেয়ের মাঝে গভীর প্রেম ছিল। ছেলেটি একবার হাত কেটে রক্ত দিয়ে মেয়েটিকে চিঠি লিখেছিল। কিছুদিন পর তাদের ভালবাসা নষ্ট হল। তো যার কাছে যার দেনা পাওনা ছিল মিটিয়ে নিচ্ছিল।
সব শেষে ছেলেটি বললো আমার রক্ত ফেরত দে, মেয়েটি সাথে সাথে তার সালোয়ারের নিচ থেকে ১টা ন্যাপকিন বের করে ছেলেটির হাতে দিয়ে বললো নে শালা তোর রক্ত কিস্তিতে শোধ দেব!!!
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
:
আমার যা কিছু আছে সব তোমার।
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে,
:
তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-কামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না?
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

প্রেমিক প্রেমিকার কথোপকথন-
:
বলো তো পৃথিবীর প্রথম প্রেমিক প্রেমিকা কে?
:
আদম আর ইভ।
:
গুড। এবার বলো তো ইভ আদমকে প্রথম কোন কথাটি বলেছিলো?
:
এটা বেশ শক্ত।
:
ভেরি গুড; এটাও পেরেছ।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

প্রেম চলাকালীন সময়ে প্রেমিকা প্রেমিককে বলল, এত জোরে না সোনা , প্লিজ। আমার হার্ট দুর্বল।
প্রেমিক আশ্বস্ত করল, ভয় পেও না, এটা অতদূর যাবে না।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

:
এইবার ভ্যালেন্টাইনেও দেখলাম একা একা ঘুরে বেড়াচ্ছিস ? তোর একটা গার্লফ্রেন্ড ছিল যে সে কই?
:
আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।
:
কেন কেন... তোদের তো কঠিন ভালোবাসা ছিল। সুখের ঘরে দুঃখের আগুন লাগাইল কে?
:
আর বইলেন না , একদিন কাপড় পাল্টানোর সময় আমি দুর্ঘটনাবশত ওর ঘরে ঢুকে পড়ি।এরপরই আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
:
কেন তুই সব দেইখা ফেলছিস বইলা?
:
আরে না আমি নিজের চোখ ঢেকে ফেলেছিলাম বলে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

:
কিরে তোর চশমা ভাঙ্গল কিভাবে?
:
আর বলিস না। ওকে চুমু খেতে গিয়েছিলাম।
:
কি আশ্চর্য ! চুমু খেলে চশমা ভাঙ্গে নাকি?
:
না ইয়ে মানে... হঠা দুই উরু দিয়ে চাপ দিল তো...
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

জরিনার বাবা জরিনার জন্য পাত্র ঠিক করেছে। এদিকে জরিনার সাথে পাভেলের বছরের অ্যাফেয়ার। এটা বাবাকে জানাতেই জরিনার সুইট বাবা নিমিষেই টিপিক্যালি #বাবা কেন ভিলেন?# টাইপ আচরণ শুরু করল। এটা নিয়ে বাবা মেয়েতে তুমুল ঝগড়া। খাওয়া বন্ধ, মুখ দেখাদেখি বন্ধ ইত্যাদি মোটামুটি শেষ হবার পর অবশেষে তারা একটা ঐক্যমতে পৌছাল। ঠিক হল নদীর অপরপাড় থেকে পাভেল বাবার ঠিক করা পাত্র দুজনেই সাঁতার কেটে এপারে আসবে। যে আগে আসতে পারবে জরিনা তারই হবে।
যথাসময়ে প্রতিযোগিতা শুরু হল। শুরুতে দেখা গেল বাবার ঠিক করা পাত্রটি এগিয়ে গেছে। জরিনা তো ভয়ে আধমরা কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে পাভেল তাকে ধরে ফেলল। জরিনা খুশিতে হাততালি দিচ্ছে আর চিৎকার করে ৎসাহ দিচ্ছে পাভেলকে। একপর্যায়ে প্রেমিকের শক্তি আরো বাড়ানো এবং ৎসাহ দেওয়ার জন্য একপর্যায়ে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে তার সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলল।এরপর হঠা করে পাভেলের সাঁতারের গতি বেড়ে গেলেও তা আস্তে আস্তে কমে পাড়ের কাছাকাছি এসে একেবারেই থেমে গেল।বাবার ঠিক করা পাত্রটি জিতে গেল প্রতিযোগিতায়। পরে আনেক কষ্টে পাভেল পাড়ে ওঠার পর জরিনা রেগেমেগে বলল, তোমাকে ৎসাহ দেওয়ার জন্য এতকিছু করলাম তাও জিততে পারলে না। ছিঃ, কাপুরুষ কোথাকার।
পাভের সমান তেজে জবাব দিল সব দোষ তোমার, কে বলেছিল তোমাকে কাপড় খুলতে ? তুমি কাপড় খোলার পরপরইতো আমার প্রাইভেট পার্ট নদীর তলদেশের লতাগুল্মের সাথে আটকে যেতে লাগল।

0 comments