এক বুড়া পাদ্রী পরকিয়া এবং অবৈধ সঙ্গমের ব্যাপারে কনফেশন বা স্বীকারোক্তি শুনতে শুনতে খুব বিরক্ত হয়ে গেলেন.. তিনি ঠিক করলেন আর কেউ যদি কখনো পরকিয়াজনিত সম্ভোগ নিয়ে কনফেশন করতে আসে , তাহলে তিনি এখান থেকে চলেই যাবেন .....এখানে আর পাদ্রিগিরী করবেন না .
সবাই তাকে খুব পছন্দ করত ... তাই সবাই ঠিক করলো তারা এখন থেকে ''পরকিয়া আর অবৈধ সংগম '' শব্দগুলা উচ্চারণ না করে ''পতিত '' শব্দটি ব্যবহার করবে..
এর ফলাফল হলো চমত্কার বুড়া পাদ্রীও সন্তুষ্ট থাকলেন .সবই ঠিক মত চলছিল ,... কিন্তু বয়স হয়ে যাওয়ায় পাদ্রী মারা এলেন আর তার জায়গায় নতুন পাদ্রী এলেন . নতুন পাদ্রী তো এইসব বেপার জানতেন না . তিনি একদিন সকালে খুব রাগতভাবে শহরের মেয়রের অফিসে হাজির হলেন
মেয়র কে নতুন পাদ্রী বললেন , '' দেখুন , আপনি আপনার শহরের রাস্তাঘাট ঠিক করুন .... প্রতিদিন এত বেশি মানুষ কনফেশন করতে আমার কাছে আসে .... কিন্তু কনফেশন করতে গিয়ে তারা খালি পতিত হওয়ার কথাই বলে '.
মেয়র বুঝতে পারলেন যে নতুন পাদ্রী আগের সিস্টেমের বেপারটা জানেনা .... আর এর মাঝেও নতুন পাদ্রীকে কেউ এই ব্যাপারে কিছু বলেনি .... সেই ভেবে তিনি হাসা শুরু করলেন
পাদ্রী আরো রাগতভাবে মেয়রের দিকে আঙ্গুল তুলে বললেন , '' আমি জানিনা আপনি কি জন্য এত হাসছেন ... তবেন এটা শুনে রাখেন .... গত সপ্তাহে আপনার বউ তিন তিন বার কনফেশন করতে গিয়ে তিনবারই পতিত হবার কথা বলেছেন !!! ''
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


দুই বন্ধু জমির আর নানক গলফ খেলছে হঠাত নানকের একটা ফোন করার দরকার পড়ল ,'' কিরে জমির , তর কাছে ফোনে আছে ?? একটা ফোন করতাম '' .... জমির বলল , ঠিকাছে .... এই নে ফোন '' এই বলে সে ১২ ইঞ্চি লম্বা একটা ফোন বের করলো
ফোন দেখে তো নানক ভ্যাবাচেকা খেয়ে এলো ..... জমির কে জিগ্গেস করলো , '' কিরে , এই ফোন তুই পাইলি কই ?? '.
জমির বলল , ''আমার একটা দৈত্য আছে ,....ইচ্ছাপুরণকারী দৈত্য ..... ওই বেটা এই ফোন দিছে.... '.
নানক বলল , '' দেখি তো তোর দৈত্যটা !! '' জমির গলফ ব্যাগ থেকে দৈত্য টা কে বের করলো দৈত্য কে দেখেই নানক বলল , '' তুমি তো ইচ্ছাপূরণকারী দৈত্য , আমি তোমার মনিবের বন্ধু .... তো আমার একটা ইচ্ছা পূরণ কর ''
দৈত্য বলল ,'' হুকুম করেন জাহাপনা ''
নানক বলল , '' আমাকে গাড়ি , বাড়ি আর নারী দাও ''
দৈত্য বলল , '' জো হুকুম '' ..... এই বলে সে ভ্যানিস হয়ে গেল নানক তো অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছে .... কখন তার বাড়ি , গাড়ি আর নারী আসে ..... অপেক্ষা করতে করতে সে যখন মেজাজ খারাপের চূড়ান্ত পর্যায়ে ... তখন হঠাত করে আকাশ থেকে একটা ভারী হাড়ি আর একটা শাড়ি পড়ল !!! নানকের মেজাজ তো খুব খারাপ , বলল , '' কিরে ব্যাটা !! চাইলাম নারী গাড়ি বাড়ি ... দিল কিনা ভারী হাড়ি আর শাড়ি !!! ''
জমির নির্লিপ্ত কন্ঠে বলল ,'' দোস্ত , বলতে ভুইলা গেছিলাম ... আমার দৈত্যটা কানে কম শুনে ......তোর কি মনে হয় , আমি কি ১২ ইঞ্চি লম্বা ফোন চাইছিলাম ?? ''
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


দোকানের নতুন কর্মচারী সাহারা কে ঘন্টাখানেকের জন্য দোকানে বসিয়ে রেখে গেলেন ঘন্টা পরেই তিনি আবার দোকানে ফিরে এলেন এসেই খেয়াল করলেন যে এক ওষুধের দোকানের মালিক খোকা মিয়া দরকারী কাজে বাইরে গিয়েছিলেন যেহেতু ওষুধের দোকান বন্ধ রাখা যায়না , তাই তিনি তার লোক দোকানের দেয়ালের উপর ঝুকে আছে সাহারা কে তিনি জিগ্গেস করলেন , '' কিরে , ওই ব্যাটার কি হইছে ??? ''
সাহারা বলল , '' হেয় আইছিল কাশির জন্য কফ সিরাপ নিতে , কিন্তু আমি কফ সিরাপ কোনটা ত়া চিনিনা , খালি চিনি এভোলাক ( ল্যাক্সাটিভ ) সিরাপ .... তাই আমি তারে ঐটা দিছি , আর কইছি পুরাটা বোতল একবারেই খাইয়া ফালাইতে !!! ''
খোকা মিয়ার মেজাজ খারাপ হলো , তিনি বললেন , '' বলদ , পায়খানার সিরাপ দিয়া কি কাশি বন্ধ হয় নাকি রে গাধা ??? ''
সাহারা একগাল হেসে বলল , '' কে কইছে বন্ধ হয়না ?? ওই দেখেন , হেই বেডা তো এখন আর কাশি দিতাছেনা '' !!!

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


একটি ছেলে অনার্স পাশ করে দীর্ঘদিন বেকার বসে আছে। একদিন সে চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষকে বলল, তাকে একটা চাকরি দেওয়ার জন্য। কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত রাজি হলো। চাকরিটা আর কিছুই নয়- চিড়িয়াখানার একটা মস্ত বাঘ মরে গেছে। তার চামড়াটা গায়ে পড়ে খাঁচার মধ্যে ঘোরাঘুরি করতে হবে।
যাতে মনে হয় খাচাঁয় একটা জ্যান্ত বাঘ রয়েছে।মাইনে মাসে হাজার টাকা।
ছেলেটি রাজি হয়ে কাজে যোগ দিল।
ছেলেটির খাচাঁর সাথেই ছিল সিংহের খাচাঁ। দুই খাচাঁর মাঝামাঝি ছিল একটা দরজা। ছেলিটি সবসময় ভয়ে সেই দরজাটা বন্ধ করে রাখত।একদিন লাফঝাপ করতে করতে সেই দরজাটার উপরে পড়তেই ক্যাচঁক্যাচঁ করে দরজাটা খুলে গেল। সামনেই পশুরাজ সিংহ- ছেলেটি আতংকে কাঠ হয়ে হাত জোড় করে চোখ দুটি বন্ধ করে ফেলল। কিন্তু কয়েক মিনিট কেটে যাওয়ার পরেও যখন পশুরাজ তাকে আক্রমন করলো না, তখন সে ভয়ে ভয়ে চোখ মেলে সে দেখতে পেল-সিংহও চোখ বন্ধ করে হাত জোড় করে বসে আছে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


এক ধর্মযাজক বারে ঢুকেই প্রথমেই যাকে সামনে পেল তাকেই বলল,-তুমি কি স্বর্গে যেতে চাও?
'হ্যাঁ, ফাদার চাই!', জবাব এল।
'তবে এক্ষুনি এই অভিশপ্ত স্থান থেকে চলে যাও!'-ফাদার আদেশ দিলেন। লোকটি ছুটে বাইরে চলে গেল।
পরের জনকেও বললেন-'তুমি কি স্বর্গে যেতে চাও?'
'হ্যাঁ, ফাদার চাই!'-এবারো জবাব একই এল।
'তবে এক্ষুনি এই পাপের আস্তানা থেকে চলে যাও।'-ফাদার বজ্রকন্ঠে আদেশ করলেন।এই লোকটিও ছুটে বাইরে চলে গেল।
এবার তিনি ফিরলেন আরেকজনের দিকে। সে পাড়ঁ মাতাল।
'তুমি কি স্বর্গে যেতে চাও?'
'না ফাদার!'- সে বলল।
ফাদার অবাক হলেও হাল নাছেড়ে বললেন-'তবে কি মৃত্যুর পর তুমি নরকের আগুনে পুড়তে চাও অনন্তকাল ধরে?'
এবার যেন মাতেলের হুশঁ হল- ' মুত্যুর পর? আমি ভেবেছি আপনি বোধহয় এখনই একদল নিয়ে রওনা হয়েছেন!'
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


এক মৌলভি সাহেব সাধ্যমতো ধর্মকর্ম করতেন আর সময় পেলেই করতেন ওয়াজ।মৃত্যুর পরে তিনি বেহেশতে ছোটখাট একটা বালখানা পেলেন।আর অল্প কিছু দাস-দাসী। সেখানে সুখেই তার দিন কাটতে লাগল।
একদিন মর্নিং ওয়াক শেষ করার পথে তিনি পাশের বাড়ির মালিকের দেখা পেয়ে গেলেন। এর যে তার দুনিয়ার প্রতিবেশি বাস-ড্রাইবার। লোকটা মদ খেত, বউকে পেটাত, জুয়া খেলত। আর সেই কিনা কিনা বেহেশতে এয়সা বালাখানা হাকিয়ে বসেছে!
মৌলভি সাহেব একজন য়ফরেশতার দেখা পেয়ে রহস্যটা কি জানতে চাইলেন।
ফেরেশতা বলল, আপনার বালাখানা ছোট হওয়ার কারণ হল আপনার ওয়াজ অধিকাংশ শ্রোতা মনে রাখে নি। দুই একজন মাত্র আল্লাহর নাম নিয়েছে- তারাও আবার বেশির ভাগই বুড়ো মানুষ।অন্যরা আপনার ওয়াজ শেষ হওয়ার আগেই মাহফিলের মাঝখানে ঘুমিয়ে পড়েছে।
সব শুনে মৌলভি সাহেব বললেন, তা অই ড্রাইবার ব্যাটা কি করেছে তা জানতে পারি?
ফেরেশতা বলল, সে দুএক বোতল দেশি মদ টেনে বাস চালাত, তখন বাসের সকল যাত্রি তো বটেই, রাস্তার সব পথচারীও আল্লা! আল্লা! করতো। তারই পুরুস্কার অই বিশাল বালাখানা।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


শহরের রাস্তায় হঠা এক অদ্ভুৎত জিনিস পাওয়া গেল। লোকজন কেউ বুঝতে পারলো না জিনিসটা আসলে কি?তারা জিনিসটা নিয়ে গেল তাদের এলাকার সাংসদের কাছে। কারণ তিনি এই এলাকার হর্তা কর্তা, মা বাপ।
-কি ব্যাপার, তোমরা কি চাও?
-স্যার, রাস্তার উপর একটা অদ্ভুত জিনিস পড়ে থাকতে দেখলাম। কিন্তু জিনিসটা কি আমরা তা বুঝতে পারছি না। তাই আপনার কাছে নিয়ে এলাম।
-কি জিনিষ দেখি?
-এই যে। তারা বস্তুটি তার সামনে তুলে ধরলো।
সাংসদ দীর্ঘক্ষন জিনিষটার দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর একটা মুচকি হাসি দিলেন। তারপর জিনিষটা আবার দেখলেন। এবার তিনি হাউমাউ করে কেদে উঠলেন। এবং তৃতীয়বারও তিনি জিনিষটা আবার দেখলেন তারপর তিনি হো হো হেসে উঠলেন। এলাকার রোকজন অবাক হয়ে গেল কার কর্মকান্ড দেখে। একজন সাহস করে বলেই ফেলল-
-স্যার, আপনি প্রথমবার দেখে মুচকি হাসলেন। দ্বিতীয়বার দেখলেন....তৃতীয়বার হো হো করে হেসে উঠলেন। বিষয়টা তো আমরা কিছুই বুঝলাম না।
সাংসদ বললেন, প্রথমবার মুচকি হাসলাম এই সামান্য একটা বিষয় নিয়ে তোমরা আমার কাছে এসেছো এই জন্য। আর কাদলাম, আমি যখন থাকবো না তখন তোমাদের কি হবে এটা ভেবে।
- আর তৃতীয়বার হাসলেন যে হো হো করে সেটা কিসের জন্য?
-কারণ জিনিষটা কি আমিও জানি না এটা ভেবে...
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


এবার রিয়েল লাইফ জোকস। এবার বিখ্যাত লেখক মার্ক টোয়েন কে নিয়ে। যখনকার গল্প তখন মার্ক টোয়েন কে কেউ বেশি চিনতো না। তো মার্ক টোয়েন তখন তরুন। জীবনে প্রথম একটা প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে ঢুকলেন। চাকরি চলছে। ছয় মাস হয়ে গেল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানে প্রধান মার্ক টোয়েনের উপর খুবই বিরক্ত। কারণ মার্ক টোয়েন নাকি খুবই কুড়েঁ টাইপের। কাজে কর্মে কোন মনযোগ নেই, তার বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ সহকর্মীদের। একদিন তিনি মার্ক টোয়েনতে ডেকে পাঠালেন।
-আমাকে ডেকেছেন?
-হ্যাঁ, আপনি তো ক্লিমেন্স?
(বলাই বাহুল্য মার্ক টোয়েন তার ছদ্মনাম। আসল নাম ক্লিমেন্স।)
-জ্বি আমিই ক্লিমেন্স।
- আপনাকে আম,ার প্রতিষ্ঠানে আর রাখতে চাই না। আপনি কাল থেকে আর আসবেন না। আপনার যা পাওনা আছে তা ক্যাশিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে বিদায় হোন।
-আমার অপরাধটা জানতে পারি?
-পারেন।
-কি আমার অপরাধ?
-আপনি অসম্ভব আলসে। আপনার মত আলসেদের নিয়ে আমার প্রতিষ্ঠান চলবে না।
-আপনার প্রতিষ্ঠান এমনিতেও চলবে না।
-মানে?কেন?
-কারণ আমি যে আলসে এটা আমি যেদিন কাজে যোগ দিয়েছি সেদিন থেকেই জানি। আর আপনার বুঝতে লাগল ছয় মাস। কাজেই আপনার প্রতিষ্ঠান চলবে কিভাবে?
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


গ্রামের এক স্কুল পরিদর্শন করতে গেলেন এক পরিদর্শক। ক্লাসে ঢুকে এক ছাত্রকে জিগগেস করলেন, বল তো, সোমনাথ মন্দির কে ভেঙেছে?
ছাত্র বলল, আমি ভাঙিনি, স্যার।
পরিদর্শক রেগে শিক্ষককে বললেন, আপনার ছাত্র এসব কি বলছে?
শিক্ষক নরম গলায় বললেন, স্যার, আমি জানি। মন্দির ভাঙার মত ছেলে নয়।
পরিদর্শক ক্লাস ছেড়ে হেড মাস্টারের রুমে গেলেন।
-আপনার ছাত্র এসব কি বলছে! সোমনাথ মন্দির নাকি তারা ভাঙেনি!
হেড মাস্টার বললেন, জ্বি স্যার আমি জানি, আমার ছাত্র শিক্ষকরা এমন কাজ করতে পারে না।
পরিদর্শক ফিরে গিয়ে অই মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীকে বিস্তারিত জানিয়ে অই স্কুল বাতিল করার জন্য সুপারিশ করলেন। মন্ত্রী সব শুনে বললেন, সামান্য একটা মন্দির ভাঙ্গার জন্য কেন এত হইচই করছেন?টাকা নিয়ে যান। নতুন একটা বানিয়ে নেন।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

রোগীঃ আশ্চর্য ব্যাপার ডাক্তার, আপনার নার্সের স্পর্শেই আমি অনেকটা সুস্থ!
ডাক্তারঃ হুম, স্পর্শের শব্দ আমি রুমের বাইরে থেকেই শুনতে পেয়েছি।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


এক পার্টিতে এক মহিলা আর পুরুষ তুমুল তর্ক করছিলেন। কোন বিষয়েই তারা একমত হতে পারছিলেন না। এক সময় মহিলা বললেন, আচ্ছা আমরা কি কোন বিষয়েই একমত হতে পারি না? পুরুষ উত্তর দিলেন, অবশ্যই পারি। ধরুন কোন এক ঝড়-বৃষ্টির রাতে আপনি কোন এক রাজবাড়িতে আশ্রয় নিলেন। যেখানে এক ঘরের এক বিছানায় রাজকুমারী শুয়ে আছে আর অন্য বিছানায় তার পুরুষ পাহারাদার। আপনি কার সাথে শোবেন? উত্তর এল, অবশ্যই রাজকুমারীর সাথে। পুরুষটি বললেন, আমিও।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


সুন্দরী রোগীঃ ডক্টর আমি শুধু একটা জিনিসই চাই।
ডাক্তারঃ সেটা কি?
সুন্দরী রোগীঃ বাচ্চা।
ডাক্তারঃ আপনি নিশ্চিত থাকুন, ব্যাপারে আমি একবারও ব্যর্থ হই নি।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


স্কুলে আজ প্রথম সেক্স লেসনের ক্লাস হল আক্কাসের। বাড়ি ফেরার পর তার মা-বাবা জানতে চাইলেন ক্লাস কেমন হয়েছে। আক্কাস হতাশ গলায় বলল, পুরো সময়টাই বেকার! আজ শুধু থিওরী হয়েছে!!
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, তুমি কি বলতে পার সত্য আর বিশ্বাসের মধ্যে পার্থক্য কি? একটু ভেবে নিয়ে স্বামী উত্তর দিল, অবশ্যই পারি! যেমন ধর, আবুল তোমার ছেলে এটা সত্য আর আবুল আমার ছেলে এটা বিশ্বাস।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


চোদ্দটি সন্তান নিয়ে হুলস্থূল সংসার পেতে নিয়ে বসেছেন এক দম্পতি। থাকেন তেতলা বাড়ির দোতলায়। একদিন পরিবার পরিকল্পনার লোকজন এসে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেমন কথা! এই যুগে এতগুলো সন্তান কী করে হলো? গভীরভাবে ঈশ্বরে বিশ্বাসী স্ত্রী ছাদের দিকে আঙ্গুল তুলে বলল, উপরে একজন আছে, তারই দান। তখন পরিবার পরিকল্পনার লোকজন তেতলায় গিয়ে একজন অবিবাহিত যুবককে পেয়ে দ্রুত তার ভ্যাসেক্টমি করিয়ে ফেলল।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


গ্রামের এক অশিক্ষিত লোক তার গর্ভবতী স্ত্রীকে শহরে নিয়ে এসেছে ডাক্তার দেখাতে। ডাক্তার মহিলাকে চেকআপ করার পরে বললেন, আপনার স্ত্রী গর্ভবতী হন নি। পেটে গ্যাস হয়েছে। লোকটি ডাক্তারের উপর ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে বলল, ফাজলামি পেয়েছেন! আমি কি একটা পাম্পার নাকি???
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


মেয়েঃ দেখবে কাল ডাক্তার আমাকে কোথায় ইঞ্জেকশানটা দিয়েছিল?
ছেলেঃ (অতি ৎসাহী) অবশ্যই! কোথায়??
মেয়েঃ যে হাসপাতালটায়।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


ছেলেঃ মা, বাবা কি খুব লাজুক?
মাঃ হ্যাঁ, উনি লাজুক না হলে তোমার বয়স আরো 'বছর বেশি হত।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


সুন্দরী এক মেয়ে, এক তরূণ উল্কি আঁকিয়ের কাছে গেল পায়ে উল্কি আঁকতে। তরুণটি আঁকতে শুরু করল, আর একটু পরপর বলতে লাগল স্কার্টটা আরেকটু উপরে উঠান। বারবার স্কার্ট উঠাতে উঠাতে বিরক্ত তরুণী জানতে চাইল, আপনি কী আঁকছেন পায়ে? উত্তর এল, জিরাফ।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


এক প্রফেসর তার সাইকোলজি ক্লাসে এক ছাত্রীকে প্রশ্ন করলেন, মানুষের শরীরের কোন অঙ্গটা উত্তেজিত অবস্থায় সাধারণ অবস্থার চেয়ে দশগুণ বড় হয়ে যায়? মেয়েটি লজ্জায় লাল হয়ে বলল, স্যার এটা আমার পক্ষে বলা সম্ভব না। তখন একই প্রশ্ন প্রফেসর এক ছাত্রকে করলেন। ছেলেটি দাঁড়িয়ে বলল, স্যার চোখের মণি। তখন প্রফেসর মেয়েটিকে বললেন, এক নম্বর কথা, তুমি পড়াশোনায় যথেষ্ট অমনোযোগী, দুই নম্বর কথা তোমার মনমানসিকতা অশ্লীল এবং তিন নম্বর হচ্ছে বিয়ের পর তুমি অবশ্যই হতাশ হবে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


ছেলের জড়তা কাটাতে মা তার ছেলেকে বললেন, যাও তো বাবু, তোমার নতুন গভর্নেসকে একটা চুমু দিয়ে আস। ছেলে গম্ভীর চেহারায় উত্তর দিল, হুঁ, আর বাবার মতো একটা চড় খাই আর কি!
কার কোনটা ভাল লাগল জানালে খুশি হব।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

ফরেনসিক মেডিসিন এর ক্লাসে প্রফেসর নতুন ছাত্রদের ক্লাস নিচ্ছেন .....,
''
ফরেনসিক মেডিসিন পড়তে তোমাদের দুইটা জিনিসের দিকে ভালো খেয়াল রাখতে হবে , প্রথমত , তোমাদের কারো কোনো রকম শুচিবাই বা ঘৃনা থাকতে পারবেনা .... '' ..... এই বলে তিনি তার সামনে রাখা মৃতদেহের পাছার ভিতরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলেন এবং তা চুষতে লাগলেন :
''
সুতরাং , তোমরাও তা কর '' ,তিনি সবাইকে নির্দেশ দিলেন
পুরো ক্লাসরুম তো !!!!!! কি আর করা , সবাই প্রফেসর এর কথামত আঙ্গুল ঢুকিয়ে চুষতে শুরু করলো
''
দিতীয় জিনিস টি হলো , তীক্ষ্ণ নজর থাকতে হবে তোমাদের '' বললেন প্রফেসর ....'' তোমাদের মাঝে কয় জন খেয়াল করেছ যে আমি লাশটির পাছায় তর্জনী ঢুকিয়েছি কিন্তু চুষেছি আমার মধ্যম আঙ্গুল
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> ??? ''

জসিমের সেভ করা দরকার হলো ....তাই সে গেল তার পাড়ার নাপিতের কাছে
নাপিত মাত্র জসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে , এমন সময় জসিম বলল , '' আমার গাল তা একটু ভাঙ্গা , তাই মসৃন সেভ হয়না , দয়া করে খুব সাবধানে মসৃন সেভ করে দাও ''
নাপিত করলো কি , একটা কাঠের ছোট গোল বল জসিমের গালের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল , তারপর সেভ করা শুরু করলো কিছুক্ষণের মাঝেই জসিম বুঝতে পারল , আসলেই খুব ভালো মসৃন সেভ হচ্ছে গালের ভিতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় জসিম বলল , '' খুব ভালো .... কিন্তু এখন যদি আমি বল টি গিলে ফেলি , তাহলে কি হবে ?? ''
নাপিত একটুও বিচলিত না হয়ে বলল , '' ঐটা কোনো বেপার না , সবাই যেমনে পরের দিন ফিরত দিয়া যায় , আপনেও কাইলকা আইসা ফিরত দিয়া যাইয়েন
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> ''

রমিজের মেজাজ খুব খারাপ আজকাল ডান হাতের ব্যথা আর সারেই না রমিজের বন্ধু জমির বলল , '' ডাক্তার দেখায়া কি করবি , অনেক তো দেখাইলি ..... হুদাই টাকা নষ্ট সামনের একটা মার্কেট ১০ টাকা দিয়া একটা কম্পিউটারে পেশাব সেম্পল দিলে এক্কেবারে ঠিক ডায়াগনোসিস আর ঠিক ওষুধ দিয়া দেয় আমার লগে ''
রমিজ ভাবলো , ঠিক তো !!! গেল ওই কম্পিউটারের কাছে গিয়ে তার পেশাবের সেম্পল দিল মিনিট পরে স্লিপ বের হয়ে এলো , যাতে লিখা আছে '' তোমার টেনিস এলবো হয়েছে , প্রতিদিন ডান হাতে গরম সেঁক দিলে ১০ দিনে ঠিক হয়ে যাবে ''
রমিজ তো তাজ্জব !!! যাই হোক , বাসায় গিয়ে ওই অনুযায়ী সেঁক দিয়ে দেক্ঝ্লো ....ব্যথা কমছে হঠাত রমিজ ভাবল , কম্পিউটাররে তো বোকা বানানো যায় ..... তাই সে করলো কি , তার বীর্য , কুকুরের মল,তার স্ত্রীর আর তার মেয়ের পেশাব টয়লেট গিয়ে কালেক্ট করে একটা মিক্সচার বাজ্নিয়ে ওই কম্পিউটারে জমা দিল আর অপেক্ষা করতে থাকলো রেসাল্টের জন্য
মিনিট পর স্লিপ আসল , তাতে লিখা আছে , '' তোমার কুকুরের উকুন হয়েছে,এন্টি ফাঙ্গাল ওষুধ খাওয়াও,..... তোমার মেয়ে আবার প্রেগনান্ট,তোমার দারোয়ান কে বের করে দাও ...... তোমার বউ গতকাল এবরশন করিয়েছে , বাচ্চাটা তোমার ছিলনা .....আর তুমি যদি তোমার ডান হাতে হাত মারা বন্ধ না কর ,তবে তোমার টেনিস এলবো কখনই ভালো হবেনা ধন্যবাদ >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>''

জমিলা ফাদারের কাছে গিয়ে বলল , '' ফাদার , আমার দুইটা মেয়ে তোতা আছে,কিন্তু ওরা একটা কথা ছাড়া আর কিছুই বলেনা ''
ফাদার বললেন , ''কি বলে ওরা?? '' জমিলা বললেন ,' ওরা খালি বলে ...''হেই , আমরা দুই নষ্টা , আস ফুর্তি করি ''
ফ্দার বললেন , ''খুব খারাপ কথা ..... তবে আমার আরো দুইটা পুরুষ তোতা আছে , ওরা সারাদিন প্রভুর নাম জপ করে ...ওদের সাথে রাখলে তোমার মেয়ে তোতাগুলো আর খারাপ কথা বলবেনা ..... ভালো হয়ে যাবে ''
এই বলে ফাদার ওই মেয়ে তোতা দুইটা কে পুরুষ তোতা দুইটার খাচায় ঢুকিয়ে দিলেন।তখনও পুরুষ তোতা দুইটা চোখ বন্ধ করে অন্যদিনের মতই জপ করছিল ঢুকিয়ে দেওয়ার পরপরই অন্যদিনের মতই মেয়ে তোতা দুইটা পুরুষ তোতা দুইটার দিকে চোখ মেরে বলল , '' হেই , আমরা দুই নষ্টা , আস ফুর্তি করি ''
সাথে সাথে একটা পুরুষ তোতা তার চোখ খুলে অন্য তোতা কে বলল , '' দোস্ত , এইবার জপ করা বন্ধ করতে পারস , আমাগো দীর্ঘদিনের আশা পূর্ণ হইসে
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> ''
*
বৃদ্ধ রহিম মিয়া অন্ধ মানুষ একদিন সকাল বেলায় তিনি মার্কেটে যাচ্ছিলেন কিছু রুটি কিনতে।রুটি কিনা শেষ , তিনি বাসায় ফিরবেন , হুট করে কোথাথেকে এক কুকুর এসে রহিম মিয়ার পায়ে মুত্র বিসর্জন করলো রহিম মিয়া ছিটকে দুরে সরে গেলেন .....তারপর আহ আহ আহ করে রুটি তা ঝুলিয়ে কুকুরটার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করতে লাগলেন........ সবাই তো তাজ্জব !!!! যে লোকের গায়ে কুকুর পেশাব করে দিল ,আর সে কিনা কুকুরটাকে তার রুটি খাবাতে চাচ্ছে !!!!
একজন গিয়ে তাকে বলল , 'রহিম মিয়া , আপনি কি মহান ....ওই খারাপ কুকুরটা কে রুটি খাওয়াতে চাচ্ছেন !!! ''
রহিম মিয়া উত্তর দিলেন , ''আরে ভাই , আমি তো ওকে রুটি দিয়ে ওর পাছার অবস্থান বুঝার চেষ্টা করছি , যাতে যুতসই একটা লাথি বসাতে পারি
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> ''
*
এক পতিতা রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিল , একটা চার্চের সামনের দেয়ালে একটা লেখা দেখে সে দাড়িয়ে পড়ল দেয়ালে বড় করে লেখা ছিল , '' যারা পাপ করেছ , তারা আমার শরণ নাও ''
মেয়েটা ওই দেয়ালের লেখাটার নিচে বড় করে তার মোবাইল নাম্বার টা লিখল , তারপর আরো বড় করে লিখল . '' আর যারা এখনো পাপ করনাই , তারা আমার শরণ নাও
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> ''

দুই বন্ধু তাদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে গল্প করছে
''
আর বলিস না , আমি রাতে যখন বাড়ি ফিরি ... ফিরার আগে সবচে হালকা ভদকা খাই , তারপর বারেই দাত ব্রাশ করি যাতে গন্ধ না পায় .....বাসার গেটে ঢোকার আগে আমার গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে দেই , তারপর ঠেলে ঠেলে গেরেজ ঢুকাই...... তারপর জুতা খুলে ফেলি , আসতে আসতে পা টিপে টিপে বাসায় ঢুকি , খুব সাবধানে ঘরের চাবি দিয়ে দরজা খুলি ..... তারপরও দেখি আমার বউ জেগে আছে আর আমাকে সারাদিন বকাঝকা করে ''বলল প্রথম বন্ধু
''
হেঃ , এটা আর এমন কি হলো '' বলল দ্ব্তীয় বন্ধু '' আমি সবচে কড়া রাম খাই ....... তারপর ভুমভুম শব্দ করে গাড়িটা চালিয়ে বাসার গেট এসে হর্ন বাজাই, তারপর ঠাসঠাস করে গেরেজ এর দরজা খুলে গাড়ি টা ভিতরে ঢুকিয়ে লাথি দিয়ে ঘরের দরজা খুলি ........... তারপর বউ কে বলি , ''আজ একটা ব্লোজব হয়ে যাক , কি বল ???'' ...... বউ তখন আমার মড়ার মত পরে থাকে ....আর উঠেইনা
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> !!! ''

কম্পিউটারের স্বর্গে আছেন , এটা বুঝবেন তখনি , যখন _________
****
ম্যানেজমেন্ট হবে ইন্টেল এর
****
ডিসাইন আর কনস্ত্রাকসন হবে এপল এর
****
মার্কেটিং এর দায়িত্বে থাকবে মাইক্রোসফট
****
মুল্য নির্ধারণ করবে গেটওয়ে
কম্পিউটারের নরকে আছেন , এটা বুঝবেন তখনি , যখন _________
****
ম্যানেজমেন্ট এর দায়িত্বে থাকবে এপল
****
ডিজাইন আর কনস্ত্রাকসন এর দায়িত্বে মাইক্রোসফট
****
মার্কেটিং এর দায়িত্বে আই বি এম
***
সাপোর্ট এর দায়িত্বে গেটওয়ে
****
মুল্য নির্ধারণ করবে ইন্টেল !!!!!!

0 comments