গল্পটা এক মাঝবয়সী দম্পতির। ধরুন চল্লিশ প্লাস। আর লেখার পাঠকরা অবশ্যই ১৮+, প্রথমেই বলা আছে। ভদ্রলোক গিয়েছেন জুতার দোকানে, একজোড়া সু তার খুব দরকার হয়ে পড়েছিল।
একজোড়া বুট তার বেশ পছন্দ হল। বিদেশি বুট। বেশ দামী। কিনেই ফেললেন শেষ পর্যন্ত সেলসম্যানের খপ্পড়ে পড়ে। পায়ের জুতাজোড়া প্যাকেটে পুরে নতুনজোড়া পায়ে দিয়েই বাসায় গিয়ে পৌছলেন।
বউকে গিয়ে বললেন, দেখ তো আমাকে কেমন লাগছে, কোন কিছু নতুন লাগছে কি?
এলিফ্যান্ট রোড থেকে বাসা পর্যন্ত আসতে অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল ভদ্রলোকের। বউ তখন সিরিয়ালে মগ্ন। বলল, কই, নাহ।
লোকটা বেশ রেগে গেল ( অবশ্যই মনে মনে)। চলে এল পাশের ঘরে। নতুন জুতা কিনলাম, এত সুন্দর হল আর বউ খেয়ালই করল না !!
এক এক করে সব জামা-প্যান্ট খুলে শুধু নতুন বুটজোড়া পায়ে পরে আবার বউয়ের সামনে এল সে, " এবার বল তো কোনকিছু নতুন লাগছে কিনা"
বউ তাকাল," নাহ, গতকালও এমন মাথা নিচু করে ছিল, আজও তেমনি আছে, কালও থাকবে, নো চেন্জ" তার চোখ 'ঐ" জায়গা পর্যন্ত গিয়ে আর বোধহয় নিচে নামেনি। তাই বুটজোড়া হয়ত সে দেখতে পায়নি।
লোকটা এবার সাফই গাইতে চেষ্টা করল এই মাথা নিচু করে রাখার," ওটা মাথা নিচু করে আছে কারণ ওটা আমার নতুন বুটজোড়া দেখছে....
ও তাই? তাহলে যাওনা এবার একটা হ্যাট কিনে আনো। বলল বউ।
১. কোন জিনিস একজন খেলে দুইজনের খাওয়া হয়?
Kiss.
২. একজন পুরুষ আর একজন মহিলার মধ্যে পার্থক্য কি?
পুরুষ এক কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে তা বের করে দেয়। একজন মহিলা দুই কান দিয়ে শুনে আর মুখ দিয়ে তা বের করে দেয়।
৩. টিনেজ বালক বালিকার মধ্যে পার্থক্য কি?
বালিকা ঠোটে লিপস্টিক লাগায়। বালক সেই লিপস্টিক ঠোট দিয়ে মুছে দেয়।
৪. কুমারী আর মহামারীরি মধ্যে পার্থক্য কি?
মহামারী জীবন নাশ করে আর কুমারী পুরুষের হৃদয় নাশ করে।
৫. সবচেয়ে নীচ প্রকৃতির লোক কাকে বলা হয়?
সবচেয়ে নীচ প্রকৃতির লোক তাকেই বলা হয় যে তার স্ত্রীর প্রেগন্যান্ট হওয়ার আগ পর্যন্ত স্ত্রীকে জানায়নি যে সে ভ্যসেকটমি করিয়েছে।
৬. ব্যাচেলর আর ননব্যাচেলর এর মধ্যে পার্থক্য কি?
ব্যাচেলররা রাতে বাথরুম যেতে হলে খাটের দুই দিক থেকেই নামতে পারে, ননব্যাচেলররা পারে শুধু এক দিক থেকে।
৭. সুন্দরী রোগী: ডাক্তার আমি শুনেছি আপনি নাকি একজন লেডী কিলার।
ডাক্তার: ভুল শুনেছেন। আমার চিকিৎসায় নারী পুরুষ উভয়ের মৃত্যু ঘটে।
৮. বিয়ের রাতে ডাক্তার বরের হাতে সবাই নতুন স্ত্রীর হাত তুলে দিল।
ডাক্তার হাতের স্পর্শ পেয়ে অভ্যাসবশত পালস গুণতে শুরু করে দিলেন। তারপর বলে বসলেন এবার জিভটা বের করুন দেখি।
৯. আগে দম্পতিরা ডাক্তারের কাছে জানতে চাইতেন তারা আর ছেলে মেয়ে নিতে পারবেন কিনা।
এখন জানতে হয় বাড়ীওয়ালার কাছে।
১০. স্ত্রীরকবরের এপিটাফে স্বামী বেচারে লিখেছে-
এখানে আমার স্ত্রী বিশ্রাম করছে। একই সাথে বর্তমানে আমারও বিশ্রাম চলছে।
১১. রোগী: মাত্র পাঁচ মিনিটে একটা দাঁত তোলার জন্য আপনাকে ৫০০ টাকা দিতে হবে!
ডেন্টিস: চিন্তা করবেন না। আমি ধীরে ধীরে সময় নিয়ে টেনে আপনার দাঁত তুলব।
১২. পুলিশ নাইট ক্লাবে হানা দিয়ে তিন মহিলার সাথে হোটেলের ম্যানেজারকেও গ্রেপ্তার করে আদালতে চালান করে দিল।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
বিচার শুরু হলে জর্জ মেয়েদের প্রফেশন লাইফ সম্পর্কে প্রশ্ন করে রায় দিচ্ছেন-
প্রথম মেয়ে: স্যার, আমি একজন মডেল।
জর্জ তাকে তিন মাসের জেল দিলেন।
দ্বিতীয়মেয়ে: স্যার, আমি একজন অভিনেত্রী।
জর্জ তাকেও তিন মাসের দন্ড দিলেন।
তৃতীয় মেয়ে: স্যার, আমি কলগার্ল।
জর্জ তাকে বেকসুর খালাস দিলেন।
এবার জর্জ ম্যানেজারের দিকে তাকিয়ে- তা তোমার পেশা কি?
ম্যানেজারের উত্তর: স্যার আমিও কলগার্ল।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
১ম বন্ধু: কিরে তোর মুখে ব্যান্ডেজ বাধা কেন? তোর ডান চোখটাতো অল্পের জন্য বেঁচে গেছে। কে তোর এই দশা করল?
২য় বন্ধু: আর বলিস না সকাল বেলায় অফিসে বেরোবার আগে প্যান্টের সামনের একাট বোতাম ছিড়ে গেল। আমি ব্যাচেলর মানুষ। তাই পাশের অ্যাপার্টমেন্টের মিসেস ললার সাহায্য চাইলাম।
১ম বন্ধু: বুঝতে পারছি। প্যান্টের ঐ জায়গায় বোতাম লাগাতে বলায় ভদ্রমহিলা নিশ্চয়ই ভাবলেন তুই কোন অসভ্য ইঙ্গিত করছিস। তারপর তোকে জুতা পেটা করলেন।
২য় বন্ধু: না না, তা নয়। মিসেস লরা একজন সমাজ সেবিকা। তিনি আমার সমস্যা বুঝতে পারলেন। দ্রুত সুঁই-সুতা নিয়ে আমার প্যান্টের বোতাম লাগিয়ে দিলেন।
১ম বন্ধু: তাহলে সমস্যাটা কি?
২য় বন্ধু: বোতামটা লাগানো শেষ করে মিসেস লরা যখন মাথা নিচু করে দাঁত দিয়ে সুতোটা কেটে দিচ্ছিলেন তখনই উনার হাজব্যান্ড এসে উপস্থিত। তারপরতো বুঝতেই পারছিস।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
সি. আই. এ অফিসে নতুন এজেন্ট দরকার। প্রার্থী দুইজন পুরুষ, একজন মহিলা।
এদের নার্ভ কেমন শক্ত তা পরীক্ষা করতে কর্তৃপক্ষ তাদের প্রত্যেককে একটি করে পিস্তল দিল। এদের কাজ হবে পাশের রুমে এদের একজন প্রিয় মানুষ আছে। তাকে গুলি করতে হবে। তবে এদের জানানো হয়নি পিস্তলে আসলে কোন গুলি নেই।
প্রথম প্রাথী রুমে প্রবেশ করে দেখল একটি চেয়ারে হাত মুখ বাধা অবস্থায় তার স্ত্রী। প্রিয় জনকে দেখে তার চোখ দিয়ে পানি পড়তে শুরু করে। গুলি করার বদলে ছুটে গিয়ে সে তার স্ত্রীকে মুক্ত করল । ফলে এই পরীক্ষায় সে ফেল মারল।
দ্বিতীয় প্রার্থীর বেলায়ও একই ব্যাপার ঘটল।
তৃতীয় মহিলা প্রার্থী ভেতরে প্রবেশ করে তার স্বামীকে হাত বাধা অবস্থায় পেল। অনেকক্ষণ পর সেই মেয়ে হাপাতে হাপাতে বেরিয়ে আসল। রেগে মেগে বলতে লাগল আপনারা কি পিস্তল দিয়েছেন গুলিই বের হয় না। শেষ পর্যন্ত পিস্তলের বাট দিয়ে পিটিয়ে আমার স্বামীকে মারতে হয়েছে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
দ্বিতীয বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিক সংকট দেখা দিলে কতৃপক্ষ নিয়ম করে দেয় প্রতি পরিবার থেকে একজন তরুণকে যুদ্ধে অংশ নিতে হবে।
জর্জ কোন ভাবেই যুদ্ধে যাবে না। মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষার জন্য যখন তার ডাক পড়ল তখন সে তার গার্লফ্রেন্ড এর ইউরিন স্যাম্পল নিজের ইউরিন স্যাম্পল বলে আর্মি হাসপাতালে জমা দিয়ে দিল। তার বান্ধবীর ছিল ডায়বেটিস । ডায়বেটিস ধরা পড়লে সে আনফিট ঘোষিত হবে এবং তাকে যুদ্ধে যেতে হবে না।
পরদিনই ঐ তরুণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পেল।
কংগ্রেচুলেশ! আপনি অবিলম্বে আমাদের গাইনি বিভাগে যোগাযোগ করুন। কারণ আপনি মা হতে যাচ্ছেন।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
একজন ইংরেজ নাইট ধর্মযুদ্ধে যাচ্ছিল।
সে তার স্ত্রীর সতীত্ব রক্ষার্থে একটা সতীত্ব রক্ষাকারী বেল্টের দ্বারা তাকে আবদ্ধ করে তার সবচাইতে বিশ্বস্থ বন্ধুকে তার চাবিটা বিশ্বাস করে দিয়ে গেল।
সে তিন চার মাইল যাবার আগেই পিছনে ফিরে দেখল তার বন্ধু ঘোড়া ছুটিয়ে চিৎকার করতে করতে আসছে- থামো বন্ধু, তুমি আমাকে ভুল চাবি দিয়ে গেছ।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
এক ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ এক তরুণীকে বিয়ে করতে চাচ্ছেন।
ডাক্তারের কাছে গেলেন ফিটনেস সার্টিফিকেট আনতে। ডাক্তার সব পরীক্ষা নিরীক্ষা করে -আনফিট ফর সেক্স সার্টিফিকেট ধরিয়ে দিলেন।
বৃদ্ধ রেগে মেগে ডাক্তারকে বলতে লাগলেন- আপনি কি মনে করে আমাকে এই সার্টিফিকেট দিলেন। আপনি কি জানেন আমার আঙ্গুল বিশেষ করে মধ্যমায় এখনো জোর আছে। আর আমার জিহ্বা এখনও সচল আছে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
পোস্ট অফিসের লোকের প্রাপকের ঠিকানা ছাড়া একটি চিঠি পেল। চিঠি খোলার পর দেখা গেল এক লোক ঈশ্বরের কাছে ১০০০ টাকা চেয়ে চিঠি লিখেছে। পোস্ট অফিসের লোকদের মনে দয়া হল। তারা নিজেদের মধ্যে চাঁদা উঠিয়ে ঐ লোকের ঠিকানায় ১০০ টাকা পাঠিয়ে দিল।
এর কয়েক দিন পর ঠিকানা বিহীন আবার একটি চিঠি পাওয়া গেল। প্রাপক পূর্বের সেই লোক। খোলার পর দেখা গেল সেই লোক ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে-
আপনার পাঠানো টাকা আমি পেয়েছি। তবে এর পর থেকে টাকা পাঠালে দয়া করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠাবেন। আমাদের দেশের পোস্ট অফিসের অবস্থাতো আপনি জানেন। আমার ধারণা আপনার পূর্বের পাঠানো ১০০০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা পোস্ট অফিসের লোকেরা মেরে দিয়েছে। আমি শুধু ১০০ টাকা পেয়েছি।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
জেলার ফাসির আসামির শেষ ইচ্ছা জানতে চাইলেন।
স্যার, আমি মরার আগে বাইবেল পড়ে মরতে চাই।
ঠিক আছে তোমার ইচ্ছা পূরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাইবেল আনা হলে আসামী এক লাইন পড়ে চুপ মেরে যায়।
কি হল তুমি বাইবেল পড়ে শেষ কর।
স্যার, আমি প্রতিদিন এক লাইন এর বেশী পড়তে পারব না। আপনি আমায় কথা দিয়েছেণ বাইবল শেষ না হলে ফাসির আদেশ দিবেন না।
আসামীর ফাসির আদেশ স্থগিত হয়ে যায় বহু বছরের জন্য।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
এক সফটওয়্যার ডেভেলপার সব কাজের জন্য কম্পিউটারের সরণাপন্ন হয়। তার ছিল দুইটি ঘড়ি। একটি এক মিনিট ফাস্ট চলে, অপরটি সব সময় বন্ধ থাকে। কোন ঘড়িটা তার জন্য ভাল হবে এটা জানতে সে কম্পিউটারের পরামর্শ চাইল।
কম্পিউটার তাকে পরামর্শ দিল- যে ঘড়িটা আধা মিনিট ফাস্ট চলে সেটা ১৪৪০ দিনে একবার সঠিক সময় দেবে। আর যে ঘড়িটা সব সময় বন্ধ থাকে সেটা ২৪ ঘন্টায় অন্তত দুইবার সঠিক সময় দেবে। অতএব যে ঘড়িটা সব সময় বন্ধ থাকে সেটা ব্যবহার করাই তোমার জন্য ভাল হবে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
জর্জ বুশ এসেছেন বাংলাদেশ সফরে। আমেরিকানরা কি কি যুগান্তকারী আবিস্কার করেছে তার ফিরিস্তি বর্ণনা করছেন- আমরা এই সভ্যতাকে অনেক কিছু দিয়েছি। তবে যে যাই বলুক আমি মনে করি এই শতাব্দীর সব চেয়ে বড় আবিস্কার হচ্ছে ফ্লাক্স। সবাই মুখ চাওয়া চাওয়ি করতে লাগলেন।
বুশ তখন বিজয়ীর ভঙিতে বলতে লাগলেন- আপনারা নিশ্চয়ই ভাবছেন এত কিছু থাকতে আমি সামান্য ফ্লাক্সের কথা কেন ভাবছি। ব্যাখা করলেই আপনারা তা বুঝতে পারবেন। শীতকালে ফ্লাক্সে গরম পানি রাখেলে পানি গরম থাকে, আবার গরমের সময় ফ্রাক্সে ঠান্ডা পানি রাখেলে পানি ঠান্ডা থাকে। আমি বুঝতে পারি না ব্যাটা বুঝে কিভাবে কখন শীতকাল আর কখন গ্রীষ্মকাল চলছে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
ঈশ্বর তিন দেশের প্রেসিডেন্টের কাছে জানতে চাইলেন কার কি ইচ্ছা।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট: স্যার, আমার দেশ কবে এই অর্থনৈতিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারবে। ঈশ্বর বললেন-আরও ১০ বছর লাগবে। ওবামা চোখ মুছতে মুছতে বলতে লাগলেন হায় আমি ক্ষমতায় থাকতে তা আর দেখে যেতে পারব না।
চীনের প্রেসিডেন্ড: স্যার, আমার দেশ কবে অর্থনীতিতে স্বয়ং সমপূর্ণ দেশে পরিণত হবে। ঈশ্বর বললেন- আরও ২০ বছর লাগবে। চীনের প্রেসিডেন্ড চোখ মুছতে মুছতে বলতে লাগলেন হায় আমি বেচে থাকতে তা বুঝি আর দেখে যেতে পারবনা।
বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট: স্যার আমাদের দেশের সব সমস্যা কবে শেষ হবে।
এবার ঈশ্বর হাউ মাউ করে কাঁদতে শুরু করে দিলেন-হায়রে তোদের সমস্যা যে কবে শেষ হবে তা বুঝি আমি আর দেখে যেতে পারলাম না।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
এক মেয়ে গাইনী ডাক্তারের কাছে এসেছে চেকআপ করাতে।
ডাক্তার: বাড়ী গিয়ে আপনার স্বামীকে বলুন বাচ্চা আসছে।
মেয়ে: আমার কোন স্বামী নেই।
ডাক্তার: তাহলে আপনার বয়ফ্রেন্ডকে বলুন।
মেয়ে: আমার কোন বয়ফ্রেন্ড নেই।
ডাক্তার: ঠিক আছে। তাহলে আপনার মাকে গিয়ে বলুন-দ্বিতীয় যীশুর আবির্ভাব ঘটতে যাচ্ছে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে এক সৈনিক পালিয়ে চলে আসল। সবাই বলতে লাগল-শেষ পর্যন্ত তুমি তাহলে ভয়ে কাপুরুষের মত পালিয়ে চলে এলে।
সৈনিকের উত্তর: ঠিক তা নয়। আমার যুক্তি শুনলেই তোমরা তা বুঝতে পারবে-
দেয়ার আর টু পসিবিলিটি ইন ফ্রন্ট। যুদ্ধে আমি শত্রুকে মারব, নয়ত শত্রু আমাকে মারবে। আমি শত্রুকে মারলে নো প্রবলেম। কিন্তু শত্রু আমাকে মারলে এগেন দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। হয় আমি আহত নতুবা নিহত হব। আহত হলে নো প্রবলেম। কিন্তু নিহত হলে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। হয় ওরা আমাকে জ্বালিয়ে দেবে নয়ত কবর দেবে। জ্বালিয়ে দিলে নো প্রবলেম। কিন্তু কবর দিলে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। হয় আমার কবরের উপর বড় বড় গাছ জন্মাবে, নয়তো ঘাস জন্মাবে। ঘাস জন্মালে নো প্রবলেম। কিন্তু বড় গাছ জন্মালে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। গাছের কাঠ দিয়ে হয় ফার্নিচার তৈরী হবে নতুবা কাগজ তৈরী হবে। ফার্নিচার তৈরী হলে নো প্রবলেম। কিন্তু কাগজ হলে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। ভাল কাগজ হলে তা দিয়ে সংবাদপত্র ছাপা হবে কিন্তু বাজে কাগজ হলে তা দিয়ে টয়লেট পেপার তৈরী হবে।
লোকজন বাথরুমে তাদের বটম সাফ করার জন্য আমাকে ব্যবহার করবে। যা আমি একজন সৈনিক হয়ে কিছুতেই সহ্য করতে পারবনা। তাই আমি যুদ্ধ করতে আগ্রহী নই। করো পায়ুর জন্য আমি আমার আয়ু বিসর্জন দিতে রাজী নই।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
সেলিম ও করিম খুব ভালো বন্ধু , এতই জিগরি দোস্ত যে তারা সব ধরনের অপকর্মও একসাথেই করে । একদিন সেলিমের খায়েশ হইলো যে তারা রেড লাইট এলাকায় গিয়ে মৌজ করবে . তো তারা সেখানে এলো . যাওয়ার পর তো ভালো ফিগারের এক মেয়েকে দেখে দুই জন ঠিক করলো যে এর সাথে মৌজ করা যায় .... সেলিম করিম কে বলল , '' দোস্ত , তুই আগে মৌজ কইরা আয় ....তারপর আমারে জানিস কি অবস্থা !!''
কথামত করিম আগে মৌজ করতে ঢুকলো .... তারপর কিছুক্ষণ পর বের হয়ে এসে বলল , '' হালায় ..... এই মাইয়ার চাইতে আমার বউও ভালো , যা , তুই গিয়া দেখ !! ''সেলিম ও ঢুকলো রুমে .... কিছুক্ষণ পর সেলিম ও বের হয়ে আসার সাথে সাথে করিম জিগ্গেস করলো , '' কিরে , কেমন লাগলো ?? ''
সেলিম উত্তর দিল , '' তুই ঠিকই কৈচস দোস্ত . ... তর বউই ভালো
এক মহিলা তার ডাক্তার বন্ধুর সাথে প্রেম চালাচ্ছিল ,.... কিন্তু বেশিদিন হওয়ার আগেই সে গর্ভবতী হয়ে গেল । তো . ... নয় মাসের সময় ডেলিভারির জন্য সে যখন হাসপাতালে ভর্তি হল অপারেশনের জন্য , তখনি এক পাদ্রিও তার প্রস্টেট অপারেশনের জন্য ভর্তি হলো ,
ডাক্তার তখন তার বান্ধবীকে বলল , '' আমরা পাদ্রীর অপারেশনের পর বলব যে এই বাচা তা আপনার !! '.।
বান্ধবী বলল , '' কি বল এইসব , সে কি বিশ্বাস করবে ?? ''
ডাক্তার বলল , '' করতেই হবে , কারণ তাকে বলব , এটা একটা মিরাকল ''
তো ... নির্দিষ্ট দিনে পাদ্রীর প্রস্টেট অপারেশন হয়ে গেল ... তার পরই বান্ধবীর ডেলিভারিও হলো . ডাক্তার তারপর বাচ্চাটা পাদ্রীর কাছে নিয়ে গেল .... বলল , '' ফাদার , এই নিন আপনার বাচ্চা ''
পাদ্রী তো খুব আশ্চর্য হলেন , বললেন '' এ কিভাবে সম্ভব ?? ''
ডাক্তার বলল , '' ফাদার , আশ্চর্য আমরাও হয়েছি , এটা একটা মিরাকল ... খুব কমই ঘটে ''
পাদ্রী আর কিছু বললেন না .....
প্রায় ১৫ বছর হয়ে গিয়েছে এর মাঝেই , বাচ্চাটাও বড় হয়ে গেছে . একদিন পাদ্রী বাচ্চাটাকে ডাকলেন , বললেন '' তোমাকে কিছু গোপনীয় কথা বলার আছে '....আমি তোমার বাবা নই '' !!
বাচ্চাটা খুব অবাক হয়ে বলল , ... ''মানে? তুমি আমার বাবা না ??? ''
পাদ্রী গম্ভীর স্বরে বললেন , '' না .... আমি তোমার মা ,.... আর্চবিশপ তোমার আসল বাবা
সকাল বেলায় ভ্রমন করা রফিকের অভ্যাস . একদিন সকালে পার্কে রফিক হাটছিল .... হঠাত দেখল এক মহিলা কাদছে .সে জিগ্গেস করলো ,'' আপনার কি হয়েছে ?? '
মহিলা বলল , '' হায় হায় .....জব্বার মারা গেছে ''
রফিক আর কি সান্তনা দিবে , তাই সে আবার হাটা শুরু করলো .... কিছুদুর যাওয়ার পর দেখল আরেকটা মেয়ে কাদছে আর বলছে ,'' হায় হায় .... জব্বার মারা গেছে '' .... এভাবে যেতে যেতে আরো কিছুদুর যাওয়ার পর দেখল আরেকটা মেয়ে কাদছে আর বলছে , '' হায় হায় .... জব্বার মারা গেছে !! '''
এভাবে একটার পর একটা মেয়ে দেখতে থাকলো ....সবাই এক কথায় বলছে আর কাদছে , '' হায় হায় .... জব্বার মারা গেছে ''
রাস্তায় এসে সে দেখল প্রায় শ'খানেক মেয়ে রাস্তায় এক্সিডেন্টএ একটা মৃত মানুষ কে ঘিরে কাদছে '' হায় হায় ...জব্বার মারা গেছে '' .... যে লোকটা কে জব্বার মনে করা হচ্ছিল , এক্সিডেন্টএ তার শরীরের কিছুই বুঝা যাচ্ছেনা .... খালি হাত , পা আর পুরুষাঙ্গ ছাড়া .
তো . রফিক মন খারাপ করে বাসায় ফিরে এলো , এসে তার বউ কে বলল , '' জানো , আজ একটা লোক কে রাস্তায় এক্সিডেন্টএ মরে পরে থাকতে দেখলাম .... যেই জিনিসটা দেখার মত ছিল , ..সেটা হলো তার এক হাত লম্বা আর আধা হাত মোটা পুরুষাঙ্গ ....... বুঝলে .....''
এইটুকু বলতে না বলতেই রফিকের বউ ডুকরে কেদে উঠলো , '' হায় হায় .... জব্বার মারা গেছে
এক হাসপাতালের করিডরে এক মহিলা আর এক পুরুষ দানকেন্দ্রের সামনে বসে অপেক্ষা করছিল।
পুরুষটি মহিলা কে জিগ্গেস করলো , '' আপনি কি দান করতে এসেছেন ?? '
মহিলা বলল , ''আমি রক্ত দান করতে এসছি , এর জন্য আমি ৫ ডলার পাব ''
পুরুষটি বলল , '' ওহ ... আমি স্পার্ম দান করতে এসেছি , এর জন্য তারা আমাকে ২৫ ডলার দেবে ''
মহিলাটি কে কিছুক্ষণের জন্য চিন্তিত মনে হলো , তারপর তারা খানিকক্ষণ গল্প করে নিজ নিজ বাসায় চলে গেল ।
কয়েকমাস পর তাদের আবার ওই হাসপাতালের করিডরে দানকেন্দ্রের সামনে দেখা হলো .
পুরুষটি মহিলা কে বলল , '' এবার আমি রক্ত দিতে এসেছি , আপনি ?? ''
মহিলাটির মুখ বন্ধ থাকায় কোনো মতে সে মাথা ঝাকিয়ে উত্তর দিল , '' উমমমম মমম
শফিকের খুব মাথাব্যথা থাকে আজকাল . এর জন্য অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে ... কিন্তুক্জ কিছুই হয়নি । এর মাঝে কিছুদিন আগেই সে নতুন বিয়ে করেছে । কিন্তু ওই হারামজাদা মাথা ব্যথার জন্য সে ঠিক মত বাসরটাও উপভোগ করতে পারেনি .তাই সে এবার শেষ চিকিত্সা মনে করে এক কবিরাজের কাছে গেল ।
কবিরাজ তাকে বলল , '' বাবা, তোমার এই মাথা ব্যথার কারনটা আমি বের করতে পেরেছি ....এটা খুব খারাপ কিন্তু বিরল একটা রোগ ...... তোমার অন্ডকোষ তা বড় হয়ে তোমার স্পাইনাল কর্ডের নিচে চাপ দিচ্ছে ...তারই ফলস্বরূপ তোমার খুব খারাপ মাথাব্যথা হয় ...যার জন্য তুমি অনেক সময় চোখে দেখতেও পাওনা !!! '.।
শফিক দেখল , তাই তো !!! ওই রকমই মাথাব্যথা হয় . সে কবিরাজ কে জিগেশ করলো , '' আমার চিকিত্সা কি ??
কবিরাজ বলল , '' এর একটাই চিকিত্সা .... তোমার অন্ডকোষটা ফেলে দিতে হবে ''
শফিক ভাবলো .... শালার দুনিয়া ... কিছুদিন আগেই বিয়া করলাম .... এখন যদি অন্ডকোষ ফালায়া দিতে হয় ..... হায়রে কপাল !!.।
কিন্তু পরক্ষণে সে ঠিক করলো নাহ ...এই মাথাব্যথার হাত থেকে মুক্তি চাই .।
অন্ডকোষ টা ফেলে দেওয়ার পর শফিকের মনে হতে লাগলো , সে একটা নতুন মানুষ .... তার মাথা ব্যথাটাও আসলেই একবারেই নাই !! তাই সে একটা কাপড়ের দোকানে ঢুকলো ...একটা শার্ট বানাবে .দোকানে ঢুকে শর্তের কথা বলতেই দর্জি তাকে বলল , '' দেখি ,.... হুমমমম ...কলার সাইজ ১৬ '' তারপর একটা শার্ট পরালো শফিক কে . শফিক দেখল খুব সুন্দর ফিট হয়েছে . তাই সে দর্জি কে বলল , '' কিভাবে নিখুতভাবে বললেন ??? '' দর্জি বলল , '' বাবা ... ৬০ বছরের অভিজ্ঞতা ...এখন একটা প্যান্টও বানাও ? ''
শফিক বলল '' ঠিকাছে ''
দর্জি বলল '' হুমমম .... তোমার কোমর হবে ৩২ , লম্বায় হবে ৪০ ''
তারপর একটা প্যান্ট পড়তে দিল ....শফিক দেখল ....খুব সুন্দর ফিট করেছে .
সে বলল ,'' কিভাবে নিখুতভাবে বললেন ??? ''
দর্জি বলল , '' বাবা , ... ৬০ বছরের অভিজ্ঞতা .... তো , এখন একটা জাঙ্গিয়া নিবেনা ??''
শফিক বলল , '' আপনি বলেন কি সাইজ হবে ?? ''
দর্জি বলল , '' হুমমমম ... সাইজ হবে ৩৪ ''
শফিক হাসতে হাসতে বলল , ''নাহ , এবার হয়নাই ... আমি ১৮ বছর বয়স থেকে ৩২ সাইজ পরি .... ঐটাই আমার নিখুত ফিট হয় ''
দর্জি বলল , ''অসম্ভব ,৩২ সাইজের জাঙ্গিয়া পড়লে তোমার অন্ডকোষটা তোমার স্পাইনাল কর্ডের নিচে চাপ দিবে ,,,,তখন তোমার খুব মাথাব্যথা হবে , যার জন্য তুমি অনেক সময় চোখে দেখতেও পাবেনা '' !!!

0 comments
Post a Comment