এক ৬০ বছর মহিলা তার বেড রুম এ অদ্ভুত শব্দ শুনতে পেলেন। তিনি দরজা খুলে ঢুকে দেখেন তার ৪০ বছর বয়সী মেয়ে vibrator ব্যবহার করছে। “কি করছো মা?” মহিলা জিজ্ঞাস করলেন। মেয়ে কাদো কাদো হয়ে বললঃ “মা, আমার বয়স ৪০ বছর হয়ে পড়ছে এবং আমি এতই কুৎসিত যে আমাকে কোন ছেলেই বিয়ে করতে চায় না। আমি একজন স্বামীর অভাব বোধ করছি। তাই এটাকে দিয়েই স্বামীর শূন্যতা পূরন করছি।“ মা তখন মাথা নিচু করে রুম থেকে বেড় হয়ে গেল। পরদিন বাবা অদ্ভুত শব্দ শুনে রুম এ ঢুকে দেখেন তার ৪০ বছর বয়সী মেয়ে vibrator ব্যবহার করছে। “কি করছো মা?” লোকটা জিজ্ঞাস করলেন। এবারো মেয়ে কাদো কাদো হয়ে বললঃ “বাবা, আমার বয়স ৪০ বছর হয়ে পড়ছে এবং আমি এতই কুৎসিত যে আমাকে কোন ছেলেই বিয়ে করতে চায় না। আমি একজন স্বামীর অভাব বোধ করছি। তাই এটাকে দিয়েই স্বামীর শূন্যতা পূরন করছি।“ বাবা তখন মাথা নিচু করে রুম থেকে বেড় হয়ে গেল। পরদিন মহিলা দেখতে পেল তার স্বামী এক হাতে বিয়ার আর এক হাতে vibrator নিয়ে টিভি দেখছে। মহিলা জিজ্ঞাসা করলো কি করছো? লোকটা বললঃ আমি বিয়ার খাচ্ছি আর আমার মেয়ে জামাইকে নিয়ে টিভি দেখছি।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> এক ইঞ্জিনিয়ার ইন্টারভিউর জন্য এলো। 'আমাকে এক মিলিয়ন ডলার দিতে হবে।' দাবি করলো সে। 'এই টাকা আমি আমার পরিবারকে দিয়ে যেতে চাই। এরপর এক ডাক্তার এলো। 'আমাকে দুই মিলিয়ন ডলার দিতে হবে। আমি এক মিলিয়ন দিবো আমার পরিবারকে আর এক মিলিয়ন দিবো মেডিকেল খাতে উন্নয়নের জন্য। এরপর এলো এক উকিল। 'আমাকে তিন মিলিয়ন ডলার দিতে হবে।' অন্যদের তুলনায় এতো বেশি কেন জানতে চাইলে তার উত্তর, 'এর মধ্যে এক মিলিয়ন আপনাকে দিবো, এক মিলিয়ন আমি রাখবো আর বাকি এক মিলিয়ন দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারকে পাঠিয়ে দেবো।' >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> বৃদ্ধ রহিম মিয়া অন্ধ মানুষ । একদিন সকাল বেলায় তিনি মার্কেটে যাচ্ছিলেন কিছু রুটি কিনতে।রুটি কিনা শেষ , তিনি বাসায় ফিরবেন , হুট করে কোথা থেকে এক কুকুর এসে রহিম মিয়ার পায়ে মুত্র বিসর্জন করলো। রহিম মিয়া ছিটকে দুরে সরে গেলেন .....তারপর আহ আহ আহ করে রুটি তা ঝুলিয়ে কুকুরটার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করতে লাগলেন........ সবাই তো তাজ্জব !!!! যে লোকের গায়ে কুকুর পেশাব করে দিল ,আর সে কিনা কুকুরটাকে তার রুটি খাবাতে চাচ্ছে !!!! একজন গিয়ে তাকে বলল , 'রহিম মিয়া , আপনি কি মহান ....ওই খারাপ কুকুরটা কে রুটি খাওয়াতে চাচ্ছেন !!! '' রহিম মিয়া উত্তর দিলেন , ''আরে ভাই , আমি তো ওকে রুটি দিয়ে ওর পাছার অবস্থান বুঝার চেষ্টা করছি , যাতে যুতসই একটা লাথি বসাতে পারি ' >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> জজ কোর্ট। জজ আসামীর দিকে তাকিয়ে রায়ের আদেশ পড়ছেন। “ তুমি বউকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারার অভিযোগে অভিযুক্ত।“ দর্শকদের ভিতর থেকে আরাম খান চিৎকার করে বলল” হারামজাদা!” জজ রায় পড়ে যাচ্ছেন। “ তুমি তোমার শাশুড়িকেও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মেরেছো” দর্শকদের ভিতর থেকে আরাম খান আবার বলে উঠল” হারামজাদা!!” এইবার জজ আরাম খান কে বললেন, “আমি আপনার রাগের কারন বুঝতে পারছি। কিন্তু এটা কোর্টরুম। আর একবার আপনি এই রকম চিৎকার করলে আপনাকে বিচারে বাধা দেয়ার জন্য গ্রেফতার করা হবে। বুঝছেন? এইবার আরাম খান দাঁড়িয়ে বলল,” আমি গত পনের বছর ধরে ওই বদমাশ হারামজাদার প্রতিবেশি। যতবারই আমি তার কাছে একটা হাতুড়ির ধারের জন্য গেছি, সে বলছে তার কাছে হাতুড়ি নাই। >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
রিয়াদ সাহেবের কান দুটি কাটা পড়েছে বহু আগে। তিনি একটা টিভি চ্যানেল চালান। টিভিতে খবরের জন্যে একজন রিপোর্টার খুঁজছেন তিনি।
ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রথম প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি, ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’
প্রার্থী একগাল হেসে বললো, ‘নিশ্চয়ই স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’
রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা নচ্ছাড়!’
দ্বিতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। তা, আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’
দ্বিতীয় প্রার্থী খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’
রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা ফাজিল!’
তৃতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’
এবার প্রার্থী বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনি কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে আছেন।’
রিয়াদ সাহেব খুশি হয়ে বললেন, ‘বাহ, আপনি তো বেশ --- তা কিভাবে বুঝলেন?’
‘সোজা। আপনি চশমা পরবেন কিভাবে, আপনার তো দুটা কানই কাটা!’
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
ক্রিসমাস পার্টিতে অনেক মাস্তি আর হুল্লোড় করার পরদিন জন প্রচন্ড মাথাব্যথা নিয়ে জাগলো। গতরাতের কথা তার কিছুই মনে ছিলো না। নিচে গিয়ে সে দেখলো তার স্ত্রী কফি বানাচ্ছে।
- গত রাতে আমি খারাপ কিছু করিনি তো? জানতে চাইলো জন।
- তেমন কিছু না, তবে তোমার বসকে সবার সামনে গালিগালাজ করেছো।
- ওই ব্যাটার মুখে আমি পেশাব করি, শয়তান একটা! জন গালি দিয়ে উঠলো।
- তুমি তাই করেছো, ফলস্বরূপ তোমাকে চাকরি থেকে বের করে দিয়েছে। স্ত্রী বললো।
- ফাক হিম! আবারো গালি দিলো জন।
- আমি তাই করেছি, ফলস্বরূপ সোমবার থেকে তুমি আবার চাকরিতে জয়েন করছো।দুই গর্ভবতী মহিলা সকালে হাঁটতে বেরিয়েছে।
হাঁটতে হাঁটতে তারা গল্প করছে কার কি বাচ্চা হতে পারে। তো এক মহিলা বলছে জানো আমি না গর্ভবতী হবার পর খুব শুকিয়ে গেছি, কিছুই খেতে পারছি না। এসব দেখে আমার শ্বাশুড়ি বলেছেন আমার নাকি ছেলে হবে।
অন্যজন বললো তার লক্ষণ দেখে নাকি সবাই বলছে মেয়ে হবে।
তো অনেক ক্ষণ ধরেই তাদের পাশে দিয়ে ছোট্ট বল্টু মিয়া দৌড়াচ্ছিলো।
হঠাৎ সে বলে উঠলো, আন্টি আন্টি আমার না হাতি হবে।
মহিলা দুজন থমকে দাঁড়ালেন।
তারা জিজ্ঞেস করলো কিভাবে বুঝলে?
ছোট্ট বল্টু মিয়া তখন প্যান্ট খুলে দেখিয়ে বললো .........দেখেন না শুঁড়টা বেরিয়ে আছে!!!!!
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
ত্রিশ বছরের এক ছেলে ষাট বছরের এক মহিলাকে বিয়ে করবার পর বাসরঘরে প্রবেশ করলো। সকালবেলা ছেলেটির লাশ পাওয়া গেল।পোস্টমর্টেম রিপোর্ট থেকে জানা গেল, “মেয়াদোত্তীর্ণ দুধ পানে মৃত্যু”।
তার পক্ষের মহিলা উকিল তার লিঙ্গ ধরে জজকে দেখিয়ে বলল, “Your Honour, দেখুন । এই ছেলে কি কিছুতেই ধর্ষণ করতে পারে?”
ছেলেটি নিচু স্বরে উকিলকে বলল, “আর বেশি ঝাঁকাইয়েন না, কেস হেরে যাইবেন।“
এক ফকির এসে বলল, "ডার্লিং...এসো আমরা ফুর্তি করি"
মহিলা রেগে গিয়ে বলল, "সাহস তো কম না...আমার সাথে মজা করতে চাও।"
ফকির: "মজা তো আপনি শুরু করেছেন, আমার বিছানায় এসে বসে আছেন কেন??"
মামা টিপ দেন!
কোনটা দিবো আপা? ছোটটা নাকি বড় টা ?!! বড় টিপ বেশি ভালো!!
(স্যার ধমক দিয়ে) স্যার: আর এক বার যদি তোমরা হাসো তাহলে বাহিরে বার কইরা খাঢ়া কইরা রাখমু ।

0 comments
Post a Comment